শনিবার ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চুলের সমস্যা দূর করতেও দারুণ সাহায্য করে করলা

লাইফস্টাইল ডেস্ক:   |   মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২ | প্রিন্ট  

চুলের সমস্যা দূর করতেও দারুণ সাহায্য করে করলা

স্বাস্থ্য়ের পক্ষে করলা খাওয়া খুবই ভাল। কিন্তু জানেন কি, করলা রূপচর্চার ক্ষেত্রেও দারুণ উপযোগী। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে পাঠকদের জন্য রইলো সেই সম্পর্কে বিস্তারিত-

১) করলার রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং ফাইবার। যা কিনা মধুমেহ, কোষ্ঠকাঠিন্য, সর্দিকাশি, হাঁপানি, পেটের রোগসহ নানা শারীরিক সমস্যার সমাধান করবে খুব সহজেই।

২) করলার রসের সঙ্গে অল্প লেবুর রস মিশিয়ে নিন। সকাল ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এটা পান করুন। ইচ্ছে করলে খুব সামান্য মধু দিতে পারেন। লিভার ভাল রাখতে এটা দারুণ কাজ করবে। যারা শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে দারুণ উপযোগী করলার রস।
৩) করলার রস করে একটি পাত্রে ফ্রিজে রেখে দিন। বিকেলে বাইরে থেকে ফিরে করলার রসে তুলো ভিজিয়ে মুখ মুছে নিন। দেখবেন ফ্রেশ অনুভব করবেন। এতে ত্বকের থেকে বলিরেখা দূর হবে।

৪) রোদে পোড়া ত্বকে উজ্জলতা ফেরাতে দারুণ কাজ দেয় করলার রস। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে মুখে করলার রস মেখে নিন। ৫ মিনিট রেখে উষ্ণ পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে এটা অন্তত তিনবার করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৫) তবে শুধু ত্বকের জন্যই নয়। করলা চুলের নানা সমস্যা দূর করতেও দারুণ সাহায্য করে। বিশেষ করে যারা খুসকির সমস্যায় ভুগছেন, তারা সপ্তাহের অন্তত ৩ দিন করলার রস মাথায় মাসাজ করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৬) অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে কিংবা চুল পড়ে গেলে, সপ্তাহে তিন দিন করলার রস ও তার সঙ্গে লেবু মিশিয়ে মাথায় মাসাজ করুন। কিছুক্ষণ রেখে শ্যাম্পু করে নিন। দেখবেন সমস্যা দূর হবে সহজেই।

৭) নিয়মিত করলার রস খেলে ত্বকে ব্রন হবে না। করলার রস ব্রনর দাগ দূর করতেও সাহায্য করে। এমনকি, করলার রস নিয়মিত পান করলে শারীরিক সক্ষমতা থাকবে একদম হাতের মুঠোয়।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১:০৫ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২

nypratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর...

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  

Editor : Naem Nizam

Executive Editor : Lovlu Ansar