
বিশ্ব ডেস্ক | সোমবার, ২০ মে ২০২৪ | প্রিন্ট | ৬০ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ইরানের অন্তবর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোখবের। প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনি ২০ মে মোখবেরের নাম অনুমোদন করেন। তিনি আগামী দুই মাস এ দায়িত্ব পালন করবেন। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ৫০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হবে।
সোমবার সকালে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির দুর্ঘটনাস্থলে ‘কোনও জীবিত ব্যক্তি’ পাওয়া যায়নি। বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি পুড়ে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তার সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আবদুল্লাহিয়ানও ছিলেন। ঘন কুয়াশার মধ্যে হেলিকপ্টারটি পার্বত্যাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়।
সর্বোচ্চ নেতা খামেনি :
শেষ বিচারে ইরানের শাসক হচ্ছেন সর্বোচ্চ নেতা ৮৫ বছর বয়স্ক আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। কিন্তু প্রেসিডেন্ট হিসেবে, রাইসি দেশে ইউরেনিয়াম প্রক্রিয়াজাত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াকে সমর্থন করেছেন। তিনি পশ্চিমা বিশ্বের সাথে দ্বন্দ্বের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের কাজও ব্যহত করেছেন।
আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ সৌদি আরবের সাথে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে একটি অপ্রত্যাশিত চুক্তির মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে।
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানি দূতাবাস অঙ্গনে ইসরায়েলি হামলায় কয়েকজন ইরানি সামরিক জেনেরাল নিহত হবার পর, রাইসি সরাসরি ইসরায়েলের উপর প্রায় ৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে পাল্টা হামলা চালানো সমর্থন করেন। দামেস্কে ইসরায়েলি হামলা ছিল বছর-ব্যাপী “ছায়া যুদ্ধের” একটি উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ।
রাইসি বিরোধী মতের উপর নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়ন সমর্থন করেন, যার মধ্যে ছিল পুলিশ হেফাজতে ২০২২ সালে ইরানি-কুর্দি নারী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর প্রতিবাদ বিক্ষোভ। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে প্রায় ৫০০জন নিহত এবং ২২,০০০ আটক হয়।



