মঙ্গলবার ২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২৭ বছরের টেনিস ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন সেরেনা!

স্পোর্টস ডেস্ক:   |   শনিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট  

২৭ বছরের টেনিস ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন সেরেনা!

দীর্ঘ ২৭ বছরের বর্ণাঢ্য টেনিস ক্যারিয়ারের শেষ টানার ইঙ্গিতটা বেশ কিছু দিন আগেই দিয়েছিলেন সেরেনা উইলিয়ামস। জানিয়েছিলেন, এবারের ইউএস ওপেনই হয়ে যাচ্ছে তার শেষ। অবশেষে সেই মুহূর্তটা এসেই পড়েছে। প্রতিযোগিতাটির তৃতীয় রাউন্ডে আজা টমজানোভিচের কাছে হেরে বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে তার। তবে ম্যাচ শেষে তিনি যা বললেন, তাতে রেকর্ড ২৩ গ্র্যান্ডস্ল্যামজয়ীর অবসর নিয়ে রহস্য একটা রয়েই গেল!

পুরো ক্যারিয়ারজুড়েই লড়াকু মনোভাবের জন্য বিখ্যাত ছিলেন সেরেনা। শেষ দিনেও এর ব্যত্যয় ঘটল না। ফ্লাশিং মিডোর আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে এদিনও সেরেনা লড়েছেন তিন ঘণ্টারও বেশি সময়। শুরুর সেটে দারুণ লড়ে হারলেন ৭-৫ গেমে। এরপরের সেটে টাইব্রেকারে জিতলেন ৬-৭ গেমে, ফিরলেন ম্যাচে। তবে তৃতীয় সেটে আর পারেননি। ৬-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় আমেরিকান এই টেনিস তারকার।

আগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন ইউএস ওপেন শেষে সরে যাওয়ার। শেষ ৩২-এ হেরে বিদায়ঘণ্টা বেজে যাওয়ার পর তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার সম্ভাবনা আছে কি না। এরপর এর জবাবে সেরেনা জানান, ‘আমার তো এমনটা মনে হয় না, তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনি কিছুই বলতে পারেন না।’

পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে সেরেনা অনুপ্রেরণা দিয়ে গেছেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। একটু আগে সেরেনাকে হারিয়েছেন যিনি, সেই টমজানোভিচও অকপটে স্বীকার করে নিলেন বিষয়টা। বললেন, ‘সত্যি বলতে খুব খারাপ লাগছে। আপনারা যেমন সেরেনার ভক্ত, আমিও ঠিক তেমনই। তিনি টেনিসের জন্য যা করেছেন, তা অবিশ্বাস্য। তবে কখনো ভাবিনি আমিই তার শেষ ম্যাচে তার প্রতিপক্ষ হব।’

সেরেনাকে সর্বকালের সেরাও মানছেন টমজানোভিচ। কেন, সেটাও জানালেন তিনি। বললেন, ‘শেষ সেটে যখন ৫-১ এ এগিয়ে আমি, তখনো মনে হচ্ছিল, সে বুঝি ফিরে আসবে! এ কারণেই সে সর্বকালের সেরা।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১২:৫২ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

nypratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর...

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বু বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

Editor : Naem Nizam

Executive Editor : Lovlu Ansar