Advertisement Placeholder
সাক্ষাৎকারে আম্বার হার্ড

হারের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দায়ী

বিনোদন ডেস্ক:   |   বুধবার, ১৫ জুন ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১২১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

হারের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দায়ী

জনপ্রিয় হলিউড অভিনেত্রী আম্বার হার্ড মানহানির মামলায় হারের দুই সপ্তাহ পর প্রথম কোনো সাক্ষাৎকার দিলেন । এনবিসিকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সাবেক স্বামী জনি ডেপের কাছে হেরে যাওয়ার জন্য বিচারকদের দোষ দেখছেন না তিনি। তাঁর কাঠগড়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। তাঁর মতে, বিচারপ্রক্রিয়া চলার পুরোটা সময় অন্তর্জালে তাঁকে ঘিরে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চলেছে।

অন্তর্জালে একেবারেই ন্যায়বিচার পাননি, সেটারই প্রতিফলন ঘটেছে রায়ে। আম্বার বলেন, ‘কেউ যদি মনে করেন, সব বিদ্বেষ আর ঘৃণা শুধু আমারই প্রাপ্য, যদি কেউ এটাও মনে করেন যে আমি মিথ্যা বলেছি, তবু আপনি আমার দিকে আঙুল তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখতে পারেন না। কারণ আপনি যা ভাবছেন, সেটাই সব সময় সঠিক নয়। ’
বিচারকদের সম্পর্কে বলতে গিয়ে ৩৬ বছর বয়সী অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি তাঁদের দোষ দিচ্ছি না। আমি আসলেই বুঝি, সে (জনি ডেপ) সবার ভালোবাসার চরিত্র। সবাই তাকে নিজেদের মানুষ মনে করে। সে খুবই চমৎকার একজন অভিনেতা। ’

বিচারকরা যে শেষমেশ তথ্য ও প্রমাণাদি দেখেই রায় দেন, সেটা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হলে আম্বার বলেন, ‘সাড়ে তিন সপ্তাহের শুনানিতে তাঁরা কিভাবে বুঝে গেলেন যে আমার কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়! আমার মুখের একটি কথাও সত্য নয়!’ অবশ্য শেষে এও বললেন, ‘বিচারের রায় কী হলো, কে আমাকে নিয়ে কী ভাবল, তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। ’

২০১৮ সালে ওয়াশিংটন পোস্টে এক নিবন্ধে নিজেকে পারিবারিক সহিংসতার শিকার হিসেবে তুলে ধরেন আম্বার। তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানির মামলা করেন ডেপ। এরপর পাল্টা ১০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেন আম্বার। ১ জুন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার আদালত সেই মামলার রায়ে সিদ্ধান্ত দেন, পত্রিকায় নিবন্ধ লিখে জনি ডেপের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে তাঁর মানহানি ঘটিয়েছেন আম্বার হার্ড।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আবু তাহের
নির্বাহী সম্পাদক
লাবলু আনসার