
বিশেষ সংবাদদাতা | শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩ | প্রিন্ট | ৭১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন রক্ষা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অপব্যবহারের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, ইউক্রেনসহ যারা স্বাধীনতার পক্ষে দাড়িয়েছে এবং আগ্রাসন প্রত্যাখ্যান করেছেন তাদের সমর্থন, নারীর অধিকার জোরদার করা সহ সকল প্রকার বৈষম্য এবং বর্জনের বিরুদ্ধে লড়াই করা, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন, অগ্রসর প্রযুক্তি যা গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করে তার পৃষ্টপোষকতা, বিদেশী ক্ষতিকর প্রভাব এবং বিদেশী তথ্য ম্যানিপুলেশন সহ আন্তর্জাতিক হুমকির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকা, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে সমর্থনএবং টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব স্বাস্থ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তা সহ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একযোগে কাজ করার অঙ্গিকারে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দুদিনব্যাপি দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র সম্মেলন ৩০ মার্চ শেষ হচ্ছে।
এ সম্মেলনের কো-হোস্ট ছিল কোস্টারিকা, নেদারল্যান্ডস, কোরিয়া এবং জাম্বিয়া। সারাবিশ্বের ৭০টিরও অধিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তা ছাড়াও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সেক্টরের নীতি-নির্ধারকরা ছিলেন। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আরো সুসংহত করার অভিপ্রায়ে অংশগ্রহণকারিরা মতামত উপস্থাপন করেন। বিশ্বে এ সময়ে সবচেয়ে বেশী চ্যালেঞ্জিং ইস্যুকে ওভারকাম করতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান কীভাবে কাজ করছে তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন অংশগ্রহণকারিরা।
সম্মেলনের আলোকে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মূখপাত্র বুধবার অপরাহ্নে এ সংবাদদাতাকে জানান, স্থায়ী শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মানবিক মর্যাদাকে এগিয়ে নিতে সারাবিশ্বের মানুষ এবং সরকারসমূহের প্রত্যাশার সমন্বয় ঘটাতে এ সম্মেলন শেষে একটি সর্বসম্মত ঘোষণাপত্র তৈরী করা হবে। সেখানে সন্নিবেশিত হবে সকলের মতামত। কারণ, গণতন্ত্রের পূর্বশর্তই হচ্ছে সকলের মতামতের গুরুত্ব প্রদান। কোনকিছুৃ কারো ওপর চাপিয়ে দেয়ার অবকাশ নেই। উল্লেখ্য, এবারের সম্মেলনেও বাংলাদেশ আমন্ত্রণ পায়নি। তবে সুশীল সমাজের কয়েকজন অংশ নেন এতে।



