
বিশেষ সংবাদদাতা | শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০২৩ | প্রিন্ট | ১৫২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ম্যানহাটানে শিক্ষার্থীদের বিশাল র্যালি ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।
ফিলিস্তিনিদের পক্ষে নিউইয়র্ক সিটির সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা ৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ক্লাস বর্জনের পর রাস্তায় নেমেছিলেন। ৭ অক্টোবর শুরু ইসরায়েল-হামাসের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব সংঘাতের পর এই সিটিতে প্রায় দিন বিক্ষোভ-সমাবেশ হচ্ছে। কিন্তু স্কুল বর্জনের পর রাজপথ থমকে দেয়ার মত পরিস্থিতি ৯ নভেম্বরই প্রথম ঘটলো। সাম্প্রতিক সময়ে এত বেশী মানুষের বিক্ষোভ-মিছিল নিউইয়র্ক সিটিতে দেখা যায়নি বলে অনেকে মন্তব্য করছেন। বিক্ষোভের স্লোগান ছিল একটি, আর তা হচ্ছে অবিলম্বে ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চাই। ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা স্বীকার করা হোক। গর্ভবর্তী মহিলা, শিশু এবং অসুস্থ মানুষ হত্যার হোলিখেলা বন্ধ করা হোক। ম্যানহাটানের রাজপথে জড়ো হবার আগে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্কুলের সামনে সমাবেশ করেছেন। তারা প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং কংগ্রেসের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। গাজায় অসহায় মানুষদের হত্যাযজ্ঞে নগদ অর্থ এবং সর্বাধুনিক যুদ্ধ-সামগ্রি ইসরায়েলকে প্রদানের সমালোচনাও উঠে এসব সমাবেশ থেকে।
ম্যানহাটানের সবচেয়ে ব্যস্ততম রাস্তা প্রদক্ষিণকালে থমকে দাঁড়িয়েছিল গোটা জনজীবন। ট্রাফিক জ্যামে হিমশিম খেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবুও ট্যাক্সি ড্রাইভার কিংবা প্রাইভেট কারের যাত্রীর কেউই বিরক্তিবোধ করেছেন বলে শোনা যায়নি। অধিকন্তু অনেকে শিক্ষার্থীদের স্লোগানে শরিক হন এবং দু’হাত উচুতে উঠিয়ে সংহতি প্রকাশের ঘটনাও দৃশ্যমান হয়েছে। ফিলিস্তিনের পতাকা উড্ডীন করে গগনবিদারি স্লোগান ছিল, ‘অবিলম্বে যুদ্ধ থামাও’, ‘ফিলিস্তিনিদের মুক্তি দাও’। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে হুশিয়ারি উচ্চারণ করা হয় যে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসী তৎপরতা বন্ধ করা না হলে এই যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে সর্বত্র। ইতিমধ্যেই তার আলামত শুরু হয়ে গেছে।



