
বিশেষ সংবাদদাতা | বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪ | প্রিন্ট | ৯১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কর্মচারিদের তুলনায় কানাডার কর্মচারিদের বেতন আড়াই গুণ বেশি। এমনি অবস্থায় কানাডার কর্মচারিগণের ন্যূনতম মজুরি ঘন্টা আরেক দফা বাড়ছে আসছে ১ এপ্রিল।
কানাডার ফেডারেল কর্মচারিদের বেতন ১ এপ্রিল থেকে ৬৫ সেন্ট বেড়ে প্রতি ঘন্টায় ন্যূনতম মজুরি হবে ১৭.৩০ ডলার করে। বর্তমানে প্রতি ঘন্টায় পাচ্ছেন ন্যূনতম ১৬.৬৫ ডলার। উল্লেখ্য, প্রতিবছরই কানাডার কেন্দ্রীয় সরকার ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি করে আসছে। এবং তা করা হয় বিগত বছরের মুদ্রাস্ফীতির আলোকে। ২০২৩ সালে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৩.৯%। উল্লেখ্য, লিবারেল পার্টির সরকার ২০২১ সালে ন্যূনতম মজুরি ঘন্টা নির্ধারণ করেছিল ১৫ ডলার করে। সে সময়েই সিদ্ধান্ত দেয়া হয় যে, মুদ্রাস্ফীতির আলোকে প্রতি বছরই তা বৃদ্ধি করা হবে।
এদিকে, পাশের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল কর্মচারিদের ন্যূনতম মজুরি ঘন্টা হচ্ছে ৭.২৫ ডলার করে। এই রেট ধার্য করা হয়েছে ২০০৯ সালে। এরপর দ্রব্যমূল্য অনেক বেড়েছে। মুদ্রাস্ফীতি কত পার্সেন্ট বেড়েছে সেটিও কারো অজানা নেই। তবুও বাড়েনি ন্যূনতম মজুরি। অথচ ক্যালিফোর্নিয়া, নিউইয়র্কসহ বেশ কটি স্টেটের ন্যূনতম মজুরি ঘন্টা অনেক আগেই ফেডারেল কর্মীর তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। উল্লেখ্য, নানা সমালোচনা-আলোচনার পর গত বছর ২৫ জুলাই ইউএস সিনেট এবং হাউজে মজুরি বৃদ্ধির বিল উত্থাপণ করা হলেও তা পাশ হয়নি এখন পর্যন্ত। সেই বিলে ২০২৮ সালের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি ঘন্টা ১৭ ডলারে বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। অর্থাৎ সারাবিশ্বের মানবাধিকার ও সুশাসন নিয়ে যারা হরদম গলাবাজি করছে, তাদের দেশের কঠোর পরিশ্রমীরাই বেতন-ভাতার ক্ষেত্রে চরমভাবে অবহেলিত রয়ে গেছে।



