
যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি | রবিবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৪ | প্রিন্ট | ১০৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে জঙ্গি সংগঠন জামাত-শিবিরের সাথে বিএনপির তান্ডবের প্রতিবাদ ও অবিলম্বে দুর্বৃত্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে ২ আগস্ট অপরাহ্নে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে এক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। একই দাবিতে লন্ডনে বঙ্গবন্ধু লেখক ফোরামের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সমীপে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
নিউইয়র্কে বিক্ষোভ-সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সেক্রেটারি আব্দুস সামাদ আজাদ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ইমদাদ চৌধুরী প্রমুখ। নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন মমতাজ শাহনাজ, শাহানারা রহমান, ড. মাহাবুবুর রহমান টুকু, ফরিদ আলম, মিসবাহ আহমেদ, সোলায়মান আলী, নূরল ইসলাম নজরুল, মুজিবর রহমান মিয়া, মিজানুর রহমান তালুকদার, শফিকুল ইসলাম, শাহীন আজমল প্রমুখ। এ সময় বিশ্বফোরামের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তারা উল্লেখ করেন, কোটা সংস্কারের দাবি মেনে নেয়ার পরও নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ জামাত-শিবির। নাশকতা কর্মকান্ডে জনজীবনকে জিম্মি করে তোলেছে।

অপরদিকে লন্ডন থেকে সংবাদদাতা আনসার আহমেদ উল্লাহ জানিয়েছেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে বঙ্গবন্ধু লেখক ফোরামের স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে কোটা আন্দোলনকে করে পূঁজি করে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামী জঙ্গিগোষ্টী ও সরকার বিরোধী বিএনপি দেশব্যাপী যে ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড চালিয়ে হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আক্রমণ এবং হত্যার মাধ্যমে দেশব্যাপী এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃস্টি করে অচল হয়ে পড়ে সমগ্র দেশ। শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে দেশে জারিকরা হয় কারফিউ। সাধারণ শিক্ষার্থীসহ ঘটে বেশ কিছু প্রাণহানির ঘটনাও।
লন্ডনস্থ বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের কাছ থেকে ১ আগস্ট ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের অফিসে (১০নং ডিউনিং স্ট্রিট)’র একজন কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।
স্মারক লিপিতে উল্লেখ করা হয় এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে সরকারের মতপার্থক্য না থাকলেও স্বাধীনতা বিরোধীরা শিক্ষার্থীদের মিছিলে প্রবেশে করে জেল ভেঙ্গে বেশ কয়েকজন জঙ্গিসহ কয়েক শো অপরাধীকে পালিয়ে যাবার সুযোগ করে দেয়। রাষ্ট্রীয় স¤প্রচার বাংলাদেশ টেলিভিশন, মেট্রারেলসহ বেশ কয়েককটি সরকারী স্থাপনা সম্পুর্ণ ধ্বংস করে। এতে রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়। যা একটি উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে সহজে কাটিয়ে উঠা সম্ভব নয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারও চাইছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আসল অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের সম্মুখীন করতে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টকারী স্বাধীনতা বিরোধীরা কোনোদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বেভৌমত্ব এবং উন্নয়নে বিশ্মাসী নয়। এরা চাইছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনষ্ট করতে। এই গোষ্ঠী যেমনটি করেছিল ২০১৩ এবং ২০১৮ সালে। এরা মিথ্যাচার ও অপপ্রচারে পারদর্শিী। এই গোষ্ঠী ব্রিটেনসহ বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার চালিয়ে বিষয়টিকে অন্যখাতে প্রবাহিত করতে চাইছে। স্মারকলিপি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ, সহ-সভাপতি বাতিরুল হক সরদার, সাধারন সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, সদস্য আতিয়ার রসুল কিটন প্রমুখ।



