
যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি | শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৪ | প্রিন্ট | ১৪৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকায় খলিল বিরিয়ানি হাউজের কনফারেন্স কক্ষে ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে ‘ব্রাইট হোরাইজন সল্যুশন্স’র পক্ষ থেকে ইবি-৩ ভিসায় গ্রিনকার্ড প্রাপ্তির সুনির্দিষ্ট কৌশল উপস্থাপন করা হলো। এ সময় ইমিগ্রেশনে অভিজ্ঞজনেরাও দিক-নির্দেশনামূলক মতামত উপস্থাপন করেন। স্বপ্নের দেশ আমেরিকায় ট্যুরিস্ট ভিসা অথবা টারজান ভিসায় এসে অনিশ্চিত জীবনে নিপতিত হওয়ার চেয়ে অভিজ্ঞজনের পরামর্শক্রমে ইবি-৩ ভিসায় আসা খুবই ফলদায়ক বলে যুক্তি দেখানো হয়। সময়ের তাগিদে এমন একটি সেমিনারের গুরুত্ব অপরিসীম বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।
সেমিনারে বক্তার মধ্যে ছিলেন অ্যাটর্নি শফি চৌধুরী, যিনি ইবি-৩ ভিসা প্রক্রিয়ার আইনি দিক নিয়ে আলোচনা করেন। আরো ছিলেন আহাদ আলী, সিপিএ। তিনি ইবি৩ ভিসা প্রক্রিয়ার আর্থিক দিক নিয়ে বক্তব্য রাখেন।আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা মো. লিটন আহমেদ ইবি-৩ ভিসা পেতে নিরয়াগকর্তা ও কর্মচারীর মধ্যে যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় কৌশল নিয়ে কথা বলেন।
সেমিনারে উপস্থিত সকলেই ইবি৩ ভিসা প্রক্রিয়া, সফল আবেদনের কৌশল, এবং এটি কিভাবে কর্মচারী এবং নিয়োগকর্তা উভয়ের জন্য উপকারী হতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য অবহিত হয়েছেন। উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা বিশেষজ্ঞদের থেকে মূল্যবান পরামর্শ পান এবং তাদের প্ররয়াজনীয় প্রশ্নের উত্তরও পেয়েছেন।

ইবি৩ ভিসার মাধ্যমে গ্রিনকার্ড পাওয়ার জন্য মোট কত সময় লাগে? এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি শফি চৌধুরী জানান ইবি৩ ভিসা প্রক্রিয়ার সময়কাল নির্ভর করে বিভিন্ন বিষয়ের উপর যেমন- আবেদনকারীর দেশ, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন সম্পন্ন হওয়া এবং প্রসেসিংয়ের সময়। সাধারণত ২৪ থেকে ৩৬ মাস সময় লাগে। তবে কিছু ক্ষেত্রে সময়কাল কমবেশিও হতে পারে।
ইবি-৩ ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য কত খরচ হতে পারে? এ প্রশ্নের জবাবে সিপিএ আহাদ আলী জানান: ইবি-৩ ভিসার জন্য খরচ নির্ভর করে আইনি ফি, ডকুমেন্ট প্রস্তুতির খরচ, এবং অন্যান্য প্রশাসনিক খরচের উপর। সামগ্রিকভাবে ২০ হাজার ডলার থেকে ২৫ হাজার ডলার অথবা তারও বেশি ব্যয় হতে পারে। এটি কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
ইবি-৩ ভিসা প্রাপ্তির পর আমি কতদিনে আমার পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসতে পারব? জবাবে মো. লিটন আহমেদ জানান: যদি আপনার ইবি৩ ভিসা অনুমোদিত হয় এবং আপনি গ্রিনকার্ড পেয়ে যান, তাহলে আপনার স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী সন্তানরাও একইসাথে গ্রিনকার্ডের জন্য যোগ্য হবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি একসাথে করা সম্ভব, যা সময় এবং জটিলতা কমায়। তবে নিশ্চিত করতে হবে যে সমস্ত ডকুমেন্টেশন সঠিক এবং সময়মতো জমা দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো বিলম্ব বা জটিলতা না হয়।
সেমিনারের পর্বগুলোতে উপস্থিত অতিথিরা তাদের প্রশ্ন এবং কৌতুহলের সরাসরি সমাধান পান, যা তাদের ইবি৩ ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়।
এ সময় আরো জানানো হয় যে, ব্রাইট হোরাইজন সল্যুশন্স ভবিষ্যতে এ ধরনের আরো সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনা করছে, যাতে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন করা যায় এবং তাদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন পূরণের পথে সহায়ক হওয়া যায়।
চলমান পরিস্থিতিতে ইমিগ্রেশন ইস্যুতে আরো জানতে ১-২১২-৩৪৭-৬৩৬৪ নম্বরে ফোন অথবা ইমেইল করা যাবে: info@bhslgroup.com



