Advertisement Placeholder

অবশেষে হচ্ছে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিনিধি   |   শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১৩৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

অবশেষে হচ্ছে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

অবশেষে নির্বাচনের বাধা অপসারিত হলো। মামলার কারণে গত ৪ বছর যাবৎ ঝুলে ছিল নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন। প্রায় ২৮ হাজার ভোটারের এই নির্বাচন আসছে রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সিটির ৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন থেকে সোসাইটির বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান এম আজিজ এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, গত দু’দিনে ৫টি মামলা হয়েছিল নির্বাচন স্থগিতাদেশ চেয়ে। আমরা সার্বক্ষণিকভাবে আদালত চত্বরে এটর্নীসহ উপস্থিত থাকায় সবকটি মামলা রুখে দেয়া সম্ভব হয়েছে। এবং মাননীয় আদালতের নির্দেশেই বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, এই নির্বাচন হবার কথা ছিল ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবর। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হলেও ১৯ অক্টোবর মাননীয় আদালতের স্থগিতাদেশ এসেছিল। এর তিন বছর পর আদালতের ঝক্কি-ঝামেলা মোটামুটি দূরে ঠেলে পুনরায় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়া হয়। সে তারিখ ছিল গত বছরের ১৪ নভেম্বর। সেই নির্বাচনের বিরুদ্ধেও মামলা হয় এবং স্থগিতাদেশ এসেছিল ১২ নভেম্বর। তৃতীয় দফার তারিখ হচ্ছে ১৮ সেপ্টেম্বর। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীসহ ভোটারের কেউই নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। এ রকম দ্বিধা-দ্বন্দের পরিপ্রেক্ষিতে বোর্ড অব ট্রাস্টির পক্ষ থেকে দৃঢ় অবস্থানের ঘোষণা দেন চেয়ারম্যান এম আজিজ। সে অনুযায়ী শেষ মুহূর্তের মামলা আইনি প্রক্রিয়ায় ঠেকানোর অভিপ্রায়ে একজন অভিজ্ঞ অ্যাটর্নি নিয়োগ করেন এবং সেই অ্যাটর্নিসহ বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার আদালত চত্বরে অবস্থান নিয়েছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান, নীরা নিরু এবং ওসমান চৌধুরী নামক দুই প্রবাসী মোট ৫টি মামলা করেছিলেন এ দু’দিনে। তাৎক্ষণিক শুনানিতে আমরা মাননীয় আদালতকে কনভিন্স করতে সক্ষম হয়েছি যে, ব্যক্তি বিশেষের স্বার্থে ২৮ হাজার ভোটারের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলতে পারে না।

উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে নয়ন-আলী এবং রব-রুহুল প্যানেল মাঠে রয়েছে গত চার বছর থেকেই। তারাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন

Society Press Conference 2

কমিশনের উদ্ধৃতি দিয়ে এম আজিজ উল্লেখ করেছেন, দু’দফা নির্বাচন স্থগিত হওয়া এবং মামলা পরিচালনায় মোট ৩ লাখ ২৫ হাজার ডলারের মত গচ্চা গেছে। এর বাইরে দু’প্যানেলেরও হাফ মিলিয়ন ডলারের মত ব্যয় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা এ সংবাদদাতাকে জানান।

সংবাদ সম্মেলনে মামলাজনিত পরিস্থিতি এবং তা মোকাবেলায় কী করেছেন তা অবহিত করেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার। সংবাদ সম্মেলনে আরো ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্য হাজি মফিজুল ইসলাম, সিপিএ ওয়াসি চৌধুরী, শরাফ সরকার, আজিমুর রহমান বোরহান, সোসাইটির সেক্রেটারি রুহুল আমিন সিদ্দিকী এবং কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী।

এদিকে, নির্বাচন কমিশনের প্রধান এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি জানিয়েছেন যে, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। রবিবার ভোট অনুষ্ঠানে আর কোনো বাধা থাকলো না।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আবু তাহের
নির্বাহী সম্পাদক
লাবলু আনসার