
নিজস্ব প্রতিবেদক | শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট | ২৬৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি বিএনপি সরকারের দুর্নীতি, অনিয়ম ও বিরোধীদের বিরুদ্ধে চালানো নৃশংসতার বর্ণনা তুলে ধরতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিদেশিরা জানুক, দেশের বিরুদ্ধে বিদেশে অপপ্রচার চালানো বিএনপির এখন প্রধান কাজ।’
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব কেএম শাখাওয়াত মুন বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র অঅওয়ামী লীগসহ তার সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনসমূহের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থান করছেন।
তারা বিএনপির অপতৎপরতা প্রতিরোধের সংকল্প ব্যক্ত করে ইতিমধ্যেই ২৮ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনার অবস্থানের হোটেল প্রাঙ্গনে র্যালি করেছেন। একইসাথে তারা আশা করছেন যে, ড. সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ায় শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নয়া কমিটির ঘোষণা দেবেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী নেতা-কর্মীদের সাথে এ বৈঠকে আরো বলেন, বাংলাদেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় থাকায় উন্নত দেশের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে একত্রে কাজ করে যাচ্ছি।’
নির্বাচনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন যে, তাঁর দল দেশে নির্বাচনের নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। এর ফলে জনগণ এখন স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে। অপরদিকে বিএনপি ভূয়া ভোটার তালিকা তৈরি করে এবং ভোটের দিন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে জনগণের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়াসহ বিভিন্ন উপায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করে ফেলেছিল।
শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, বিএনপি গত সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের বিপরীতে ৭০০ জনকে মনোনয়ন দিয়েছিল এবং আসন বাণিজ্যের কারণে জনগণ তাদের ভোট দেয়নি।
বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে সংক্ষিপ্তভাবে তাঁর সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি মাতৃভূমিতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করতে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের কোন মানুষ গৃহহীন ও ভূমিহীন থাকবে না।
নিউইর্য়কে ইউএনজিএ’র ৭৭তম অধিবেশন ও উচ্চ পর্যায়ের অন্যান্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসিতে রয়েছেন।
ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লন্ডনে অবস্থান করার পর তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর নিউইর্য়কে এসেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ৪ অক্টোবর বাংলাদেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।



