
বিশ্ব ডেস্ক | রবিবার, ০৬ নভেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট | ১১২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

অবশেষে রাশিয়াকে ড্রোন দেয়ার কথা স্বীকার করল ইরান। তেহরান দাবি করেছে, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর আগেই সীমিতসংখ্যক ড্রোন মস্কোকে দেয়া হয়। খবর সিএনএনের।
রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহ করার কথা এতদিন অস্বীকার করে আসছিল ইরান। তবে শনিবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমিরাবদুল্লাহিয়ান এক বিবৃতিতে মস্কোকে ড্রোন দেয়ার কথা স্বীকার করে নেন। তিনি বলেন, ‘কিছু পশ্চিমা দেশ অভিযোগ করছে ইরান ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে ড্রোন ও মিসাইল দিয়ে সাহায্য করছে। মিসাইলের অংশটুকু পুরোপুরি ভুল। তবে ড্রোন দেয়ার তথ্য সঠিক। আমরা ইউক্রেন যুদ্ধের কয়েক মাস আগে সীমিতসংখ্যক ড্রোন রাশিয়াকে দিয়েছি।’
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর সাম্প্রতিক সময়ে মস্কো ব্যাপকভাবে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এই স্বয়ংক্রিয় ড্রোন। এসব ড্রোন চিহ্নিত একটি এলাকায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিছু সময়ের জন্য উড়তে পারে এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে একবার আঘাত হানতে পারে।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিয়েভ বাহিনী গত সপ্তাহে ৩০০টির বেশি তেহরানের তৈরি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
পশ্চিমা দেশের কয়েকজন কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, ইরান আরও ড্রোন পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এছাড়া দেশটি স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইলও রাশিয়াকে দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ওই কর্মকর্তারা জানান, সবশেষ চালানে ইরান রাশিয়াকে ৪৫০টি ড্রোন দিয়েছে। মস্কো এরই মধ্যে সেসব ড্রোন ইউক্রেনে যুদ্ধ ক্ষেত্রে ব্যবহারও করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাশিয়া যুদ্ধে ইরানের ড্রোন ব্যবহার করেছে এমন প্রমাণ পর্যালোচনা করতে ইউক্রেনের সঙ্গে তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। রাশিয়া ইউক্রেনে ইরানের ড্রোন ব্যবহার করেছে এমন নথি সরবরাহ করতে আমরা ইউক্রেনকে বলেছি।’
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাশিয়াকে ড্রোন দেয়ার বিষয়টি নিয়ে তেহরানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের কথা ছিল কিয়েভের। তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর চাপে সেটি আর সম্ভব হয়নি।



