
নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | প্রিন্ট | ৮৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

মোসলেম উদ্দিন আহমেদ।
সদ্য প্রয়াত চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমেদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে বৃহত্তর চট্টগ্রামের বিশিষ্টজনেরা।
তারা উল্লেখ করেছেন, কর্মী থেকে নেতা হওয়া এবং নেতৃত্বের প্রতি অবিচল থাকার অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির ইতিহাসে। তারা আরো উল্লেখ করেছেন, দল ও নেতার প্রতি অবিচল আস্থাশীল মোছলেম উদ্দিন আওয়ামী লীগের প্রতিটি ক্রান্তিকালেই তৃণমূলের কর্মী নিয়ে ঢাল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। শোক জ্ঞাপণকারি বিশিষ্টজনের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আব্দুল কাদের মিয়া, যুক্তরাষ্ট্রস্থ বৃহত্তর চট্টগ্রাম আওয়ামী ফোরামের সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী আদর, সেক্রেটারি হেলাল মাহমুদ, উপদেষ্টা লুৎফুল করিম, তারিকুল হায়দার চৌধুরী, বাংলাদেশী আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক ফ্রন্টের সভাপতি খোরশেদ খন্দকার, আওয়ামী লীগ নেতা কামাল হোসেন মিঠু প্রমুখ। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সাথে লড়ে গত রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকার একটি হাসাপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আওয়ামী লীগের এই এমপি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয় ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ও চার কন্যা ছাড়াও একমাত্র ভাই, আত্মীয়স্বজন ও বহু রাজনৈতিক অনুসারী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন আসনের সাংসদ, রাজনৈতিক নেতা, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
মোছলেম উদ্দিন ১৯৬৯ সালে ছাত্রলীগের সরকারি কমার্স কলেজের সহ-সভাপতি, ১৯৭০ সালে ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম শহর শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। দেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৭২ সালে ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ১৯৭৪ সালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ ফজলুল হক মনি মোছলেম উদ্দিনকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত একই ইউনিটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৭ সালে বোয়ালখালী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হন। এরপর দীর্ঘ ২৫ বছর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ২০১৩ সাল থেকে আমৃত্যু সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।



