শনিবার ২৫শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ মহাসচিবের আহবান: শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল সমাজ গড়তে আসুন একসঙ্গে কাজ করি

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | প্রিন্ট  

জাতিসংঘ মহাসচিবের আহবান: শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল সমাজ গড়তে আসুন একসঙ্গে কাজ করি

‘সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে প্রথম আন্তর্জাতিক দিবস’ (first International Day to prevent violent extremism ) এ জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেস বলেছেন, ‘আমাদের অবশ্যই আগের চেয়ে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে’। উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী চরমপন্থাদের বর্বরতা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে সমগ্র জনগোষ্ঠিকে সচেতন করার অভিপ্রায়ে গত ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারিকে ‘সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে মহাসচিব এক বার্তায় বলেন, অনেক দেশ সন্ত্রাসবাদের হুমকির মুখে রয়েছে।

গুতেরেস বলেছেন, চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলি তাদের অপতৎপরতা প্রসারিত করছে, এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তাদের সতর্কতা অব্যাহত রাখতে হবে। গুতেরেস সন্ত্রাসকে মানবতার প্রতি অবমাননা হিসাবে বর্ণনা করে বলেছেন এহেন পরিস্থিতির বিরুদ্ধে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মানবিক মূল্যবোধে জাগ্রত থাকায় গোটাবিশ্ব সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ রয়েছে। সেই বন্ধকে টুকরো টুকরো করে মানবতার শত্রুরা ফায়দা লুটতে চায়। মহাসচিব উল্লেখ করেন, সন্ত্রাসবাদ শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবাধিকার রক্ষা, মানবিক সহায়তা প্রদান এবং টেকসই উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার সম্মিলিত প্রচেষ্টারও হুমকি। তাই আমাদের অবশ্যই আগের চেয়ে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। মহাসচিব বলেন, সন্ত্রাসবাদী এবং সহিংস চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলি তাদের দুষ্ট বিষবাষ্প ছড়ানোর জন্য ইন্টারনেটকে অন্যতম অবলম্বনে পরিণেত করেছে।

বলা যায় ইন্টারনেট হচ্ছে উর্বর ভূমি সন্ত্রাসকে অব্যাহত রাখতে। গুতেরেস বলেন, নব্য-নাৎসি, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী আন্দোলন দিন দিন আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে এবং এখন বেশ কয়েকটি দেশে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকির অন্যতম কারণে পরিণত হয়েছে। সে ধরনের হুমকির মুখে থাকা দেশগুলোকে অবশ্যই প্রতিরোধের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করতে হবে। এবং সন্ত্রাসবাদকে উস্কে দেয়- এমন কারণগুলো চিহ্নিত করে তা মোকাবেলা করতে হবে। এটি হচ্ছে সময়ের দাবি এবং এ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য।
গুতেরেস অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং নিশ্চিত করেছেন যে, সন্ত্রাসবিরোধী কৌশলগুলো সংখ্যালঘু, মহিলা এবং তরুণদের দ্রুত আকৃষ্ট করে। গুতেরেস যোগ করেন, মানবাধিকার অবশ্যই সন্ত্রাসবিরোধী সব নীতির মূলে থাকা উচিত।
“আজ এবং প্রতিদিন, আসুন আমরা আরও শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্থিতিশীল সমাজ গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করি-যেখানে সন্ত্রাস ও সহিংস চরমপন্থার কোনো ঠাঁই নেই” বলেছেন মহাসচিব।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১২:১৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

nypratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

Editor : Naem Nizam

Executive Editor : Lovlu Ansar