
নিজস্ব প্রতিবেদক | শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | প্রিন্ট | ৮৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন তৌকির আহমেদ। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।
জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান হৃদয়ে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বহুজাতিক এ সমাজে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে প্রসারের অভিপ্রায়ে সদ্য প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলা সংস্কৃতি কেন্দ্র’র আত্মপ্রকাশ ঘটলো ‘তীর্থযাত্রী’ নাটক মঞ্চায়নের ঘোষণার মধ্যদিয়ে।
কোন রাখ-ঢাক না রেখে সরাসরি একাত্তরের চেতনায় বাংলা সংস্কৃতি প্রবাস প্রজন্মের মাধ্যমে মূলধারায় ছড়িয়ে দেয়ার অঙ্গিকারের ঘটনাকে অনেকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একইসাথে তারা ঘোষণা করেছেন যে, ‘তীর্থযাত্রী’ নাটকটি মঞ্চায়নের দিন বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকে বিশেষ সম্মান জানানো হবে। বাংলাদেশের গুণি নাট্যশিল্পী-নির্মাতাগণের অন্যতম তৌকির আহমেদের নির্দেশনায় ‘তীর্থযাত্রী’ মঞ্চস্থ হবে ১৮ মার্চ শনিবার কুইন্স থিয়েটারে। নাটকটির সাব-টাইটেলই শুধু ইংরেজীতে থাকবে না, পাশাপাশি কিছু সংলাপও থাকবে ইংরেজীতে। এই নাটকের মঞ্চায়ন প্রসঙ্গে ১২ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সূচনা বক্তব্যে সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারি জাকির আহমেদ রনি ‘বাংলা সংস্কৃতি কেন্দ্র’র উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোকপাত করেন। এসময় তিনি নয়া এ সংগঠনের উদ্যোক্তাগণের নামও উচ্চারণ করেন। এরা হলেন বাশিরুল হক, নাসিম আহমেদ, আবু হুসাইন বকুল এবং সাগর লোহানী। স্বাগত বক্তব্যে নাসিম আহমেদ অত্যন্ত স্পষ্টভাষায় ‘বাংলা সংস্কৃতি কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ের কথা উপস্থাপন করেন। বাংলা সংস্কৃতি বিকাশের লক্ষ্যে কাজ করতে আমরা অঙ্গিকারাবদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করেই এগিয়ে যেতে চায় বাংলা সংস্কৃতি কেন্দ্র। কবিতা, গান, নৃত্য, চলচ্চিত্র, চিত্রকলাসহ শিল্পকলার সকল শাখা অন্তর্ভুক্ত হবে এ চর্চায়।
এই প্রয়াসকে সফল করতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা সামনে নয়, পেছনে থেকে প্রবাস প্রজন্মকে সাপোর্ট দিয়ে যেতে চাই। উল্লেখ্য, নাটকটি রচিত হয়েছে টেনেসী প্রবাসী লেখক-চিন্তাবিদ ‘হুমায়ূন কবীর’র ‘তীর্থযাত্রী তিনজন তার্কিক’ উপন্যাস অবলম্বনে। নাট্যরূপ দিয়েছেন হুমায়ূন কবীর ও তৌকির আহমেদ। নির্দেশনার দায়িত্বেও আছেন তৌকির আহমেদ। সংবাদ সম্মেলনে হুমায়ূনও কথা বলেন উপন্যাস থেকে নাটকে রূপান্তর নিয়ে। তিনি জানান যে, সংলাপগুলোও ইংরেজীতে করার চেষ্টা চলছে। তৌকির জানান, ২০ ডলারের টিকিটে নাটকটি দেখতে হবে। এটি নির্মাণে অনেক ব্যয় হচ্ছে। সেটি পুষিয়ে নিতে সকলে যেন টিকিট ক্রয় করেন-এ আহবানও জানান। নাটকের মহড়া চলছে জ্যামাইকাতে। মোট ৫৮টি চরিত্রে অভিনয় করছেন ১৪ জন। এরা হলেন জাকির আহমেদ রনি, কামাল হোসাইন, আহমেদ নাসিম, শুক্লা রায়, মমিনুল বসনিয়া, প্রতিমা সুমি, নাসিম আহমেদ মিল্টন, লায়লা ফারজানা, শরিফ হোসেন, মিলাদুন্নাহার অ্যানি, আইনুল ইসলাম অপু, হীরা চৌধুরী, হৃদয় অনির্বাণ খন্দকার এবং মারুতি মোহন বিশ্বাস। নাটকটির প্রযোজনা অধিকর্তা হচ্ছেন বাশিরুল হক এবং আবু হুসাইন বকুল।
অভিনেতা, নাট্যকার, পরিচালক ও নির্মাতা তৌকির আহমেদ’র নেতৃত্বাধীন ‘নক্ষত্র’ হচ্ছে বাংলাদেশের একটি স্বাধীন শিল্পচর্চা ক্ষেত্র। গত দুই দশক ধরে এটি কাজ করছে। জয়যাত্রা, রূপকথার গল্প, দারুচিনি দ্বীপ, অজ্ঞতনামা,হালদা, ফাগুন হাওয়ায়, স্ফুলিঙ্গ নক্ষত্রের তৈরী



