
বিশ্ব ডেস্ক | শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | প্রিন্ট | ৬৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

তুরস্ক ও সিরিয়ার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা ৪৫ হাজার ছাড়িয়েছে। আলজাজিরার সর্বশেষ তথ্যানুসারে, দেশ দুটিতে গত ৬ ফেব্রুয়ারির ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৪৫ হাজার ৪৭২জন। এর মধ্যে শুধু তুরস্কেই প্রাণহানির সংখ্যা অন্তত ৩৯ হাজার ৬৭২জন। আর সিরিয়ায় এ সংখ্যা অন্তত ৫ হাজার ৮০০জন। এদিকে, ভূমিকম্পের ২৭৮ ঘণ্টা পরও ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৪৫ বছর বয়সী হাকান ইয়াসিনোগ্লু নামে এক নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
তুরস্কে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ২৭৮ ঘণ্টারও বেশি সময় পর আরও এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। সময়ের হিসেবে যা প্রায় ১২ দিন।
শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি প্রদেশ থেকে ওই ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে তুরস্কের বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক কম্পনের ২৭৮ ঘণ্টারও বেশি সময় পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় হাতায় প্রদেশের ধ্বংসস্তূপ থেকে ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। জীবিত উদ্ধারকৃত ওই ব্যক্তির নাম হাকান ইয়াসিনোগ্লু।
এদিন তাকে হাতায় প্রদেশের ডিফনে জেলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল জীবিত অবস্থায় খুঁজে পায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে ভূমিকম্প আঘাত হানার প্রায় ১০ দিন পর তুরস্কে অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হন আরও দু’জন ব্যক্তি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত আনতাকিয়া থেকে মেহমত আলী সাকিরোগলু (২৬) এবং মুস্তফা আভচি (৩৪) নামের ওই দুই ব্যক্তিকে ২৬০ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের দু’জনকেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে ইকিনচি থেকে ২৬০ ঘণ্টার মাথায় ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে ওসমান হালেবিয়ে নামে ১২ বছর বয়সী এক বালককে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়।
এছাড়া ২৫৮ ঘণ্টার মাথায় কাহরামানমারাস থেকে নেসলান কিলিক নামের ২৯ বছর বয়সী এক নারীকে উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছিল তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, উদ্ধারের পর নেসলাম কিলিকের অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি কথা বলতে পারছেন।



