
বিশেষ সংবাদদাতা | মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩ | প্রিন্ট | ৫৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বিবিসিকে প্রদত্ত সাক্ষাতকারে র্যাবকে নিষিদ্ধ করা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনার অভিমত সম্পর্কে জানতে চাইলে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২২ মে সকালে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই কোন প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলকে অন্যের বিরুদ্ধে সমর্থন দেয় না। আমরা একে অপরের ব্যাপারে কথা বলতে বন্ধুত্ব এবং অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ককে সততার সাথে এবং আমাদের (বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র) দৃঢ় সম্পর্ককে বিবেচনা করে থাকি।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্রটি আরো উল্লেখ করেছেন, র্যাবের কর্মকান্ড নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বিগ্ন। আমরা বহুবছর ধরেই আমাদের বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্টে র্যাবের মানবাধিকার লংঘনের উল্লেখ করে আসছি এবং চেষ্টা করছি র্যাবকে সংস্কারসাধন ও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে।
মুখপাত্রটি আরো উল্লেখ করেছেন, যারা নিজেদের মানবাধিকার ও মর্যাদার স্বীকৃতির জন্যে লড়াই/আন্দোলন করে তাদের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই প্রকাশ্যে কথা বলতে দ্বিধা করে না, করবেও না। বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা শান্তি, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতার মূলভিত্তি। এই মানদন্ডগুলি অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কযুক্ত।
লন্ডন সফরকালে সম্প্রতি বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাতকারে র্যাবকে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার কারণ সম্পর্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি জানি না, হয়তো তারা আমার কাজ অব্যাহত থাকুক তা চায় না। আমি বাংলাদেশের জন্যে যেসব উন্নতি করেছি, তা তারা হয়তো গ্রহণ করতে পারছে না। এটা আমি মনে করছি———।’
শেখ হাসিনাকে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায় না বলে দেশ ও প্রবাসের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমসমূহে এ সাক্ষাতকার প্রচার ও প্রকাশের পর রাজনৈতিক সচেতন বাঙালিদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ সামনের নির্বাচনে নির্ধারণ করবে কে ক্ষমতায় থাকবে অথবা অধিষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া, না চাওয়ার কী আছে? এমন জিজ্ঞাসার জবাবে সোমবার ভোরে স্টেট ডিপার্টমেন্ট এ বক্তব্য দেয় বাংলাদেশ প্রতিদিনকে।



