
নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ২১ জুন ২০২৩ | প্রিন্ট | ৬৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

স্মরণ সভার প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করেন ফখরুল আলম। পাশে সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।
বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস ও বিএলএফ’র স্বাধীনতা আন্দোলন ও সশস্ত্র যুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক সদ্য প্রয়াত সিরাজুল আলম খান রাষ্ট্রীয় কোন স্বীকৃতি বা সম্মান না পাওয়ায় প্রবাসীরা আক্ষেপ করেছেন।
১৯ জুন, ২০২৩ সোমবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে অনুষ্ঠিত এ স্মরণ সমাবেশে আয়োজনের প্রেক্ষাপট উপস্থাপনকালে মূলধারার রাজনীতিক ও বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সেক্রেটারি ফখরুল আলমের আহবানে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল আলম খানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সকলে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন।
প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ এ স্মরণ সভায় সভাপতির আসন গ্রহণের পরই বলেন, একটি জাতির স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখে তার বাস্তবায়নে কাজ করেছেন সিরাজুল আলম খান। তিনি বলেন , জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নামের সাথে সিরাজুল আলম খান এর নাম উচ্চারিত হয় ইতিহাসের উজ্জ্বল অধ্যায়ে। দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় এমন একজন নেতাকে নিয়ে নানা ধরণের আলোচনা করার অবকাশ থাকলেও সভার সভাপতি সবাইকে আহ্বান জানান, শ্রদ্ধা ও একান্ত স্মৃতি থেকে জানা অজানা বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলার জন্য।
শামসুদ্দীন গাজী, শামছুউদ্দিন আহমেদ শামীম এবং নুরে আলম জিকু’র সম্মিলিত পরিচালনায় স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য শহীদুর রহমান, পানি বিশেষজ্ঞ ড. সুফিয়ান এ খন্দকার, ডেমক্র্যাট মোর্শেদ আলম, শ্রমিক নেতা মাফ মিসবাহ উদ্দীন, স্বপন বড়ুয়া, মোহাম্মদ হোসেন খান, হানিফ মজুমদার, রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী, আলী ইমাম সিকদার, ওমর ফারুক খসরু, জসীম উদ্দিন বাবু, মুজাহিদ আনসারী, দেওয়ান শাহেদ চৌধুরী, অধ্যাপিকা হোসনে আরা, মঈনুদ্দিন নাসের, সাঈদ তারেক, খোরশেদ চৌধুরী, শামসুদ্দিন আজাদ, আজাদ উদ্দিন, শাহান খান, আহসান হাবিব, ফজলুর রহমান, ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন, গোলাম কিবরিয়া অনু, এনামুল হায়দার, রেজাউল করিম চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন লিটন, জাকির হোসেন স্বপন, তসলিম উদ্দিন খান, আব্দুল মালেক, নাদির সরকার, গাজী আজম বাদল, নজরুল ইসলাম, ডাঃ চৌধুরী সারওয়ারুল হাসান, হাকিকুল ইসলাম খোকন, আহসান হাবিব, চিত্তরঞ্জন সিংহ, সৈয়দ রাব্বি প্রমুখ।
বক্তারা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা। কর্ম প্রয়াসে আমরা সহজেই সিরাজুল আলম খানকে জাতির ভ্রাতা বলতে পারি। তিনি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছিলেন, তাঁর কর্ম ও প্রয়াস হয়তো সফল হয়নি। যুগে যুগে এমন বহু বিপ্লব প্রয়াস ব্যর্থ হয়েছে। কোন অবস্থায়ই সিরাজুল আলম খান রাজনীতিকে নিয়ে ব্যক্তিগত কোন অর্জনের চিন্তা করেননি। বাংলা মায়ের এ খাঁটি সন্তান তাঁর চিন্তায় ও প্রয়াসে দেশ ও জনগণের চিন্তাই করে গেছেন। বহু কর্মের মূল্যায়ন দূর ইতিহাস কীভাবে দেখবে তা এখনই বলে যাবে না। তবে বাংলাদেশের মানুষ সিরাজুল আলম খানের মতো মানুষকে হৃদয়ে ধারণ করে যাবে বলে বক্তারা মন্তব্য করেন।



