
নিজস্ব প্রতিবেদক | শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩ | প্রিন্ট | ৭২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বাংলাদেশ নিয়ে ১২ মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠি প্রত্যাখ্যান করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ৫ শতাধিক বাংলাদেশি আমেরিকান। উল্লেখ্য, ২৫ মে ৬ রিপাবলিকান এবং চলতি জুনে আরো ৬ ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান পৃথক দুটি পত্রে প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যান্টনী ব্লিংকেনকে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লংঘনসহ গুরুতর কিছু অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। সেখানে উল্লেখিত তথ্যগুলো আদৌ সত্য নয় কিংবা সত্যের অপলাপ বলে ক্ষুব্ধ প্রবাসীদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করছেন নিউইয়র্কস্থ দুই প্রবাসী সাখাওয়াত আলী এবং জেড এ জয়। অনলাইনে সংগ্রহ করা হচ্ছে এই স্বাক্ষর এবং ২২ জুন বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৫০৯ জন স্বাক্ষর করেছেন বলে তারা জানান। এতে বিশেষভাবে দাবি করা হয়েছে যে, ১২ কংগ্রেসম্যানের চিঠিতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলের সংখ্যালঘু নির্যাতন, জঙ্গিবাদ ও অপরাধমূলক কোনো তথ্য না থাকায় তা পক্ষপাতদুষ্ট এবং গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সংখ্যা কমে যাওয়া ও মানবাধিকার লঙ্ঘন , সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ইস্যুতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি দেন ৬ রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান। এরপরই এ নিয়ে শুরু হয় চুলচেরা বিশ্লেষণ। হঠাৎ করে ১২ কংগ্রেসম্যানের বাংলাদেশ নিয়ে অতি আগ্রহের কারণ অনেকটা রহস্যময় এবং অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করা হয়েছে স্বাক্ষর সংগ্রহের এ আবেদনে । সাধারণত কোনো বিষয়ে যদি মার্কিন কংগ্রেসম্যানরা নিজেরাই অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হন বা তাদের ভোটাররা কোনো বিষয় জানাতে চান, তখন তারা প্রেসিডেন্টকে চিঠি লেখেন। এছাড়া অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, যেমন – লবিস্ট ফার্ম বা অন্য কোন বেনিফিটের কারণে চিঠি লেখার বিষয়টিও প্রচলিত আছে। সেক্ষেত্রে তা হয়ে থাকে তথ্যবহুল ও যুক্তিসংগত ঘটনার রেফারেন্স সম্বলিত।
স্বাক্ষর সংগ্রহের পর তা শীঘ্রই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে লিখিতাকারে সাবমিট করা হবে বলে জানান সাখাওয়াত আলী ও জেড এ জয়। একইসাথে তা সংশ্লিষ্ট কংগ্রেসম্যানদেরকেও দেয়া হবে। তারা এ সংবাদদাতাকে আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও পররাষ্ট্র্র মন্ত্রী ব্লিংকেনের কাছে কংগ্রেসম্যানদের প্রেরিত বিভ্রান্তিকর চিঠি প্রত্যাহারে সাহায্য করতে পারে প্রবাসীদের এই আবেদন-সে তাগিদেই আমরা এই স্বাক্ষর সংগ্রহের অভিযানে নেমেছি। যারা ইতিমধ্যেই সাইন করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে আরো বলেন. মহৎ কাজের পাশে থাকার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ এবং প্রিয় মাতৃভূমির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এটি করা জরুরী ছিল।



