সোমবার ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জাতিসংঘ মুখপাত্র ফারহান হক

ঘাতক রাশেদকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেয়ার ইস্যুটি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারে

বিশেষ সংবাদদাতা   |   মঙ্গলবার, ০৮ আগস্ট ২০২৩ | প্রিন্ট  

ঘাতক রাশেদকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেয়ার ইস্যুটি  যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারে

ফারহান হক। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।

বঙ্গবন্ধুর ঘাতক রাশেদ চৌধুরীকে আশ্রয় দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার লংঘন করছে কিনা জানতে চাইলে ৭ আগস্ট সোমবার জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র ফারহান হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান যে, আমি মনে করছি এটি দ্বি-পাক্ষিক ইস্যু, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধান করা যেতে পারে (I believe is a bilateral issue to be dealt with between the authorities of the United States and Bangladesh .)। জাতিসংঘ সদর দফতরে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংকালে জাতিসংঘের স্থায়ী সংবাদদাতা বাংলাদেশ প্রতিদিনের উত্তর আমেরিকা সংস্করণের নির্বাহী সম্পাদক লাবলু আনসার প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আগস্ট মাস বাংলাদেশের জনগণের জন্য শোকের মাস। কারণ এ মাসেই বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছে বাঙালিরা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদেরকে ঢাকার বাসভবনে নির্মমভাবে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের একজন রাশেদ চৌধুরী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত রাশেদ চৌধুরীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারের বার বার অনুরোধের পরও যুক্তরাষ্ট্র রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন রেসপন্স করেনি। অভিযোগ রয়েছে, একজন খুনিকে আশ্রয় দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার লংঘন করছে। এ বিষয়ে জাতিসংঘের কোন বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া আছে কিনা।’
বাংলাদেশ প্রতিদিনের আরেকটি প্রশ্ন ছিল, “বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় আগামী ১৮ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে ৭৮তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকসমূহ। এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি সভা হলো ‘এসডিজি সামিট’ যা আগামী ১৮-১৯ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বের সকল দেশের সর্বোচ্চ প্রতিনিধিরা সেখানে অংশগ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা করা যাচ্ছে। এই সামিটের একটা গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো জাতিসংঘ উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিভিন্ন দেশের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে কিভাবে আরো ত্বরান্বিত করা যায় সে বিষয়ে বিশদ দিক নির্দেশনা প্রদান করা। বলা বাহুল্য, বাংলাদেশ জাতিসংঘ উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রার বিভিন্ন সূচক যেমন ক্ষুধা ও দারিদ্র দূরীকরণ, শিক্ষার গুণগতমানের উন্নয়ন, লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান প্রভৃতি অর্জনে ইতোমধ্যে প্রশংসনীয় অগ্রগতি সাধন করেছে। যেসকল দেশ এসকল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এগিয়ে আছে,আসন্ন এসডিজি সামিট বা সামিট পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘ তাদেরকে পুরস্কার প্রদানের পরিকল্পনা করছে কিনা, যাতে অন্যান্য দেশ উৎসাহিত বোধ করে-এমন প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, খুবই ভালো, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য তথা এসডিজি সামিট শুরু হউক; তখোন দেখা যাবে কীভাবে আমরা এ বিষয়টির বাস্তবায়ন ঘটাতে পারি। তবে অবশ্যই আমি বিষয়টি ক্লিয়ার করতে চাই যে, অংশগ্রহণকারি সকলের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী উত্থাপিত প্রস্তাবের আলোকে কিছু করার কথা ভাববো (Well, we’ll see how the process proceeds when we get to the Sustainable Development Goals Summit in the coming month. But certainly, we have made it clear that all of those who are participating need to come up with concrete action-oriented proposals, and we will deal with those as they come in. . )

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১:২৮ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৮ আগস্ট ২০২৩

nypratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর...

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

Editor : Naem Nizam

Executive Editor : Lovlu Ansar