
নিজস্ব প্রতিবেদক | বৃহস্পতিবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৩ | প্রিন্ট | ১৭১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ব্যালটে ফ্রি প্যালেস্টাইন। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।
সাত নভেম্বর অনুষ্ঠিত স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনে গাজায় ইসরায়েলি হামলার তীব্র প্রতিবাদ উচ্চারিত হয়েছে। ব্যালটে অনেকেই ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ লিখে জানিয়েছেন প্রতিবাদ। নিউইয়র্ক সিটির প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রেই এমন ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন বোর্ড অব ইলেকশন’র কর্মকর্তারা। ব্যালটে প্রার্থীগণের নামের শেষে সাদা জায়গায় যারা ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ লিখেছেন তারা সহজেই ব্যালট স্ক্যান করতে সক্ষম হয়েছেন। তবে যারা নামের পাশে তা লিখেছেন, সেই ব্যালট স্ক্যান হয়নি। তখোনই ঘটে বিপত্তি। অর্থাৎ নির্বাচনী কর্মকর্তাদের দৃষ্টিগোচর হয় একেবারেই বেআইনি প্রক্রিয়াটি। কিন্তু থেমে থাকেননি ক্ষুব্ধ ভোটারেরা। সংবিধান প্রদত্ত স্বাধীনতার অজুহাত দেখিয়ে কেউ কেউ বলেছেন, এভাবেই আমার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এটা আমার অধিকার। গাজায় ইসরায়েলিরা যা করছে তা সভ্য সমাজের কেউই মেনে নিতে পারেন না। অথচ প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং তার প্রশাসন নগ্ন হয়ে ইসরায়েলের বর্বরতাকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছেন। শিশু-নারী এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীনরাও রেহাই পাচ্ছে না ইসরায়েলি আক্রমণ থেকে। জ্যাকসন হাইটস সংলগ্ন পিএস-৮৯ এর কেন্দ্রে বোর্ড অব ইলেকশনের সুপারভাইজার/অনুবাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারি বাংলাদেশি আমেরিকান নুরুন্নাহার নিশা এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রতিবাদের ভাষা এটা হতে পারে না। ব্যালটে প্রতিবাদ উচ্চারিত হয়েছে বলে সেটি স্ক্যান হয়নি অর্থাৎ ভোটাধিকারটি গার্বেজ হয়ে গেল। গাজায় অসহায় মানুষের পক্ষে সরব হবার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে, দেশে দেশে প্রতিবাদ হচ্ছে, সেটাই করা উচিত সকলের এবং ইসরায়েলি বর্বরতাকে যারা সাপোর্ট দিচ্ছেন তাদেরকে ভোট না দেয়ার মধ্য দিয়েও বলিষ্ঠতার সঙ্গে প্রতিবাদ জানানো সম্ভব।
বাংলাদেশি আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক ফ্রন্টের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান খোরশেদ খন্দকার এ প্রসঙ্গে বলেন, ভোটাধিকারের মাধ্যমে গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদের পাশাপাশি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রবক্তাগণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। সামনের নির্বাচনেও সব ভোটারকে এই ধারা অনুসরণের আহবান জানাচ্ছি।



