
নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০২৩ | প্রিন্ট | ১০১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।
খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা প্রত্যাহারের পর দেশে ফেরার ব্যবস্থা, মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতার মুক্তি, নির্বাচনী তপসিল বাতিলের পর নিরপেক্ষ সরকার গঠন করে তাদের কাছে শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং আন্দোলনতদের গ্রেফতার-হয়রানি, বাড়ি-ঘরে তল্লাশী বন্ধের ৬ দফা দাবিতে ২০ নভেম্বর সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলন করলেন বিলুপ্ত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীরা। উল্লেখ্য, এক যুগেরও অধিক সময় আগে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ভেঙ্গে দেয়ার পর নতুন কমিটির পরিবর্তে বিভিন্ন সিটি ও স্টেট কমিটির অনুমোদন এসেছে হাই কমান্ড থেকে। এমনি অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতৃত্বে থাকা সাবেক নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধচিত্তে পৃথক পৃথক গ্রুপে নানা কর্মকান্ড চালাচ্ছেন। তাদেরই একটি অংশের নেতৃত্বে রয়েছেন এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি এবং আনোয়ার হোসেন।
এই গ্রুপের পক্ষ থেকেই ডাকা সংবাদ সম্মেলনে অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য মিজানুর রহমান মিল্টন ভূইয়া। সংবাদ সম্মেলনে বিপুৃলসংখ্যক নেতা-কর্মীর সমাগম ঘটেছিল। সঞ্চালনা করেন সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম এবং লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ার হোসেন। সভাপতির সূচনা বক্তব্যে এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি বলেন, বাংলাদেশের চলমান আন্দোলনের সমর্থনে আমরাও সরব রয়েছি। সেই তাড়না থেকেই আজকের সংবাদ সম্মেলন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে বাংলাদেশের প্রশাসনকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশের আহবানও জানানো হয়েছে। মঞ্চে উপবেশনকারি নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন গিয়াসউদ্দিন, এম এ সবুর, শাহ আলম, মোশারফ হোসেন সবুজ, জাহাঙ্গির সোহরাওয়ার্দি প্রমুখ। শুরুতে বেগম জিয়ার দ্রুত আরোগ্য এবং চলমান আন্দোলনে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, বিএনপির এই অংশের পক্ষ থেকে ১৭ নভেম্বর নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কন্স্যুলেটে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবিতে। আরো উল্লেখ্য, বাংলাদেশে চলমান হরতাল-অবরোধের সমর্থনে নিউইয়র্ক স্টেট ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে প্রায় দিনই বিক্ষোভ-সমাবেশ হচ্ছে।



