
লাবলু আনসার, যুক্তরাষ্ট্র | রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ | প্রিন্ট | ৭৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্যে জাতিসংঘ কোনো টিম অর্থাৎ পর্যবেক্ষক পাঠাবে না। তেমন কোনো ব্যবস্থাও নেই। সাধারণ পরিষদ অথবা সিকিউরিটি কাউন্সিলের বিশেষ কোনো আদেশ অথবা ম্যান্ডেট ছাড়া জাতিসংঘ কোথাও পর্যবেক্ষক পাঠায় না। ৮ ডিসেম্বর শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংকালে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডোজারিক। প্রশ্নটি ছিল,
বাংলাদেশ অবাধ, সুষ্ঠু এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধ পরিকর এবং সেই নির্বাচনে গণতান্ত্রিক বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রসমূহের সবধরনের সহযোগিতাকে স্বাগত জানাচ্ছে। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনকালে জাতিসংঘ কী কোনো পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা করছে? জবাবে ডোজারিক বলেন, ‘না, খুবই সাম্প্রতিক কালে, আমি মনে করছি, যতটা স্মরণে আসছে, একটি নির্দিষ্ট ম্যান্ডেট ছাড়া আর পর্যবেক্ষক পাঠায় না।’
বাংলাদেশ প্রতিদিনের অপর প্রশ্ন ছিল, কাল ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ গণহত্যার অপরাধ প্রতিরোধ ও শাস্তি সম্পর্কিত কনভেনশনের ৭৫তম বার্ষিকী এবং গণহত্যার শিকারদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করার আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন করবে। এই উদযাপনকে বাংলাদেশও অভিনন্দন জানায়। তবে আমি অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে জাতিসংঘ এখনো ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় দখলদার বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার স্বীকৃতি দিতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এ ব্যাপারে জাতিসংঘের মতামত জানতে চাই। জবাবে ডোজারিক বলেন, সর্বপ্রথম, ঐতিহাসিক ঘটনাবলী এবং সেই ঐতিহাসিক ঘটনার সময় যারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা রেখে, আমি অনেক আগের ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করব না। দ্বিতীয়ত আমরা এখানে বারবার বলেছি, কোনো ঘটনাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া মহাসচিবের কাজ নয়। এটি উপযুক্ত বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের উপর নির্ভর করে।
উপযুক্ত বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ বলতে ডোজারিক নেদারল্যান্ডের হ্যাগে অবস্থিত ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস’ কে বুঝিয়েছেন বলে মহাসচিবের সচিবালয়ের পদস্থ একজন পরবর্তীতে এ সংবাদদাতাকে বলেছেন। ব্রিফিংকালে আরেক সংবাদদাতা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন কর্তৃক মহাসচিবকে সম্প্রতি পাঠানো এক চিঠির ব্যাপারে জানতে চাইলে স্টিফেন ডোজারিক বলেন, চিঠিটি আমি দেখিনি। বিশদভাবে বাংলাদেশে নির্বাচনের কথা বলতে গেলে আমি আপনাকে আগের বক্তবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমরা চাই নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং বিশ্বাসযোগ্য হোক।



