Advertisement Placeholder
যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদের সভায় নেতৃবৃন্দ

নির্বাচনের পরের ৩ সপ্তাহ সেনাবাহিনী মাঠে রাখার অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ৯৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

নির্বাচনের পরের ৩ সপ্তাহ সেনাবাহিনী মাঠে রাখার অনুরোধ

ছবির ক্যাপশন-লগো-ঐক্য পরিষদ।

নিউইয়র্ক শহরের ফ্লোরালপার্কে শনিবার রাতে একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভায় বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনের পূর্বাপর সময়ে অতীতের মত সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। সংগঠনের অন্যতম সভাপতি রণবীর বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ডক্টর দ্বিজেন ভট্টাচার্যের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্যদেন শিতাংশু গুহ, প্রদীপ মালাকার, অসীম সাহা, চন্দন সেনগুপ্ত, বিষ্ণু গোপ, রিণা সাহা,পরেশ সাহা, রণজিৎ ভাদুড়ী, দিলীপ চক্রবর্তি, সুশিল সিনহা, সুকান্ত দাস টুটুল, হরিগোপাল বর্ম্মণ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ইতিমধ্যে বরিশাল নেত্রকোনা ও অন্যান্য স্থানে সংখ্যালঘু প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর হামলা, বাড়িঘর আক্রমণের খবর মিডিয়ায় আসছে, যা উৎকণ্ঠার কারণ। নির্যাতনের এই ধারা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে এবং নির্বাচনের পরও অব্যাহত থাকবে বলে তাঁরা আশংকা প্রকাশ করেন । তাই, কেদ্রীয় ঐক্য পরিষদ নির্বাচনের পরেও তিনি সপ্তাহ সেনাবাহিনী মাঠে রাখার যে অনুরোধ জানিয়েছে তার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জোর সমর্থন জানানো হয়। বক্তারা বলেন, অতীতে বারবার নির্বাচনের আগে-পরে সংখ্যালঘুর ওপর নির্যাতন হয়েছে, কিন্তু আজ পর্যন্ত একটিরও বিচার হয়নি, যার ফলে সাম্প্রপ্রদায়িক শক্তি নির্ভয়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন করে। বক্তারা দু:খের সঙ্গে বলেন যে, ২০১৮ সালের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন ও সংখ্যালঘু কমিশন বিলটি পাশ হলে সংখ্যালঘু নির্যাতকরা সামপ্রদায়িক সহিংসতায় লিপ্ত হতে সাহস পেত না এবং আওয়ামী দলীয় জোট সরকার বিলটি পাশ করেনি বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁরা এ ব্যাপারে দৃঢ়মত প্রকাশ করেন যে, সংখ্যালঘু নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত কোন প্রার্থীকে সংখ্যালঘু নাগরিকদের ভোট দেওয়া উচিৎ হবে না।
সভায় হিজলায় পঙ্কজ দেবনাথের নির্বাচনী অফিস ভেঙ্গে ফেলা ও তাঁর সমর্থকের মারধরের সংবাদটি বিশেষ গুরুত্ব পায়; তা’ছাড়া, বরিশাল, নেত্রকোনা, ও মুন্সিগঞ্জে সংখ্যালঘু বিরোধী বক্তব্যের নিন্দা জানানো হয়। সভার পক্ষথেকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় অগ্রীম ব্যবস্থা গ্রহন করতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সেনাবাহিনী প্রধান, বি. জি. বি.প্রধান, র‌্যাব প্রধান ও পুলিশের আই. জি.-কে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানানো হয়। বক্তারা অভিমত প্রকাশ করেন যে, পঙ্কজ দেবনাথ ও অন্য স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা জয়ী হলে সংসদ অধিকতর গণতান্ত্রিক হবে, বিশ্বের কাছে গ্রহনযোগ্য হবে এবং তা দেশের জন্যে মঙ্গলময় হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সংখ্যালঘু প্রার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্যে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সভা শেষ হয়।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আবু তাহের
নির্বাহী সম্পাদক
লাবলু আনসার