সোমবার ১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্কে ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি   |   সোমবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৪ | প্রিন্ট  

নিউইয়র্কে ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা

সেক্যুলার ডেমক্র্যাসিতে বিশ্বাসী প্রগতিশীল প্রার্থীদের বিপুলভাবে ভোট প্রদানের উদাত্ত আহবানে ৩১ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন হলো। এ সময় সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী হিসেবে চিহ্নিত কাউকে ভোট না দেয়ার জন্যে বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। একইসাথে অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে নির্বাচনের আগে থেকে পরবর্তী তিন সপ্তাহ পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে মাঠে রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং রাষ্ট্রপতির প্রতি।

যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদের জেনারেল সেক্রেটারি ড. দ্বীজের ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন যুগ্ম সম্পাদক বিষ্ণু গোপ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ঐক্য পরিষদের দুই সভাপতি অধ্যাপক নবেন্দু বিকাশ দত্ত ও ডা. টমাস দুলু রায়, সিনিয়র ডাইরেক্টর শিতাংশু গুহ, ডাইরেক্টর সুশীল সাহা, প্রদীপ মালাকার, রীনা সাহা এবং উপদেষ্টা ড. দীলিপ নাথ।

বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুর সংখ্যা কমে ৭.৯৫% হয়েছে বলে উল্লেখ করে জানানো হয়, তবে মোট ভোটারের ৯.১% হলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা। সকলকেই আমরা অনুরোধ জানিয়েছি দলে দলে কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদানের জন্যে। ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক আগ্রহ এবং নির্বাচন কমিশনের গৃহীত বহুবিধ পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে তারা দৃঢ়ভাবে আশাবাদি যে এই নির্বাচনটি সুষ্ঠু ও অবাধ হবে। এসময় আরো উল্লেখ করা হয়, ‘ইংরেজি নববর্ষে আমাদের চাওয়া হল, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও সংখ্যালঘুরা নিরাপদে থাকুক, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ একটি ধর্ম-নিরপেক্ষ উদার গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পরিচিত হোক, আর ধর্ম হোক যার যার, রাষ্ট্র হোক সবার।”

কিভাবে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের স্থায়ী সমাধান হতে পারে মর্মে সাংবাদিকদরে প্রশ্নের উত্তরে একাধিক উত্তরদাতা বলেন যে, এটা নিভঅর করছে সরকারের সদিচ্ছার ওপর। সরকার যদি যুক্তরাষ্ট্রের মত হেইট ক্রাইম ও স্পিচ আইন অন্তর্ভুক্ত করে একটি কঠোর মইনোরিটি অ্যাক্ট প্রণয়ন করে এবং সংখ্যালঘু নির্যাতকদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে, তাহলে সামপ্রদায়িক শক্তি সংখ্যালঘু নাগরিকদের নির্যাতন করার দুঃসাহস করবে না। তাঁরা বলেন, এটা সম্ভব হতে পারে শুধু যদি প্রগতিশীল মুসলমানরা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন, যেমন যুক্তরাষ্ট্রে প্রগতিশীল শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাঙ্গদের সম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করছেন।

 

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৬:১২ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৪

nypratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর...

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বু বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

Editor : Naem Nizam

Executive Editor : Lovlu Ansar