
লাবলু আনসার, যুক্তরাষ্ট্র | মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৪ | প্রিন্ট | ১১৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের কর্মসূচী ঘোষণার পর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আড়ালে বিএনপি যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, যাত্রীবাহী বাস ও ট্রেনে আগুন দিয়ে সহিংসতা চালিয়েছে তাকে কী জাতিসংঘ মানবাধিকার লংঘন হিসেবে মনে করে না-এমন এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বললেন, ‘আমরা কোন ধরনের সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেই না, তা যারাই করুক না কেন।’
গত ১৫ জানুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংকালে জাতিসংঘের স্থায়ী সংবাদদাতা বাংলাদেশ প্রতিদিনের অপর প্রশ্নটি ছিল, যেমনটি আপনি জানেন, চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশ অত্যন্ত সফলতার সাথে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করেছে, যা ছিল সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জবাবদিহিতায় পরিপূর্ণ। তবে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল-বিএনপি সেই নির্বাচনকে বাঞ্চাল করার চেষ্টা করেছিল তাদের সন্ত্রাসী আচরণের মধ্য দিয়ে।
বাংলাদেশের সেই জাতীয় নির্বাচনের সময় বিএনপির সন্ত্রাসী আচরণের ব্যাপারে জাতিসংঘের অভিমত দয়া করে জানাবেন কী। এর জবাবে মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচনের ব্যাপারে আপনার একজন সহকর্মী আগে প্রশ্ন করেছিলেন। আমি মনে করছি আমাদের (জাতিসংঘের) আহবান এবং আমি যা বলেছি তার পুনরাবৃত্তি করবো, আমরা সকল রাজনৈতিক দলকে সব ধরনের সহিংসতা পরিহার করতে এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে সম্মান করা নিশ্চিত করার আহবান জানাচ্ছি।
ব্রিফিংয়ের শুরু করেন মহাসচিব অ্যান্তোনিয়ো গুতেরেস। তিনি গাজা পরিস্থিতির আলোকপাত করেন। শততম দিন অতিবাহিত হলো অথচ নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিক হত্যা থামেনি। অবিলম্বে তিনি মানবিক-যুদ্ধ বিরতির উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন। অ্যান্তোনিয়ো গুতেরেস গাজার বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে নিরাপদ এবং পূর্ণ মাত্রায় সাহায্য বিতরণের সুবিধার্থে মৌলিক শর্ত প্রতিষ্ঠার উপর জোর দিয়েছেন এবং শুধু একটি যুদ্ধবিরতি সংকটকে কমাতে পারবে। গাজা উপত্যকায় বেসামরিক হতাহতের অবিশ্বাস্য ঘটনাবলী বিপর্যকর মানবিক পরিস্থিতিতে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।



