মঙ্গলবার ২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী : ঋষি সুনাক না লিজ ট্রাস?

বিশ্ব ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২ | প্রিন্ট  

ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী : ঋষি সুনাক না লিজ ট্রাস?

কে হবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের উত্তরসূরী, তা নিয়ে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে সরগরম ব্রিটিশ রাজনীতিপাড়া। কয়েক দফা ভোটাভুটির পর এরইমধ্যে সে দৌড়ে ছিটকে গেছেন ৯ প্রার্থী। শেষ লড়াইয়ে যে ২ জন টিকে থাকলেন তারা হলেন দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস। খবর আলজাজিরা, বিবিসি।

ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রাথমিক যুদ্ধে জিতে চূড়ান্ত পর্বের লড়াইয়ে ঢুকে পড়লেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত ঋষি সুনাক। প্রথম চার রাউন্ডেই মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল চূড়ান্ত রাউন্ডে তিনি পৌঁছাবেনই। প্রশ্ন ছিল কে হবেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী। শেষ পর্যন্ত ঋষির সঙ্গে লড়াই হতে যাচ্ছে লিজ ট্রাসের। পঞ্চম রাউন্ডের ভোটাভুটিতে ছিটকে গেলেন পেনি মডান্ট।

৩৫৭ ভোটের মধ্যে এই রাউন্ডে কনজারভেটিভ বা টোরি এমপিদের মধ্যে ১৩৭ জন ভোট দিয়েছেন ঋষিকে। লিজ পেয়েছেন ১১৩ ভোট। পেনি ১০৫টি ভোট পেয়ে ছিটকে গেছেন।

প্রথম থেকে পঞ্চম রাউন্ড পর্যন্ত লড়াইয়ে ভোট দিয়েছেন কনজারভেটিভ পার্টির এমপিরাই। আসল লড়াইটা হতে যাচ্ছে এ বার। শুধু ব্রিটেনের হাউস অব কমন্সে নির্বাচিত দলীয় এমপিরাই নন, এ বার চূড়ান্ত পর্বে ভোট দেবেন কনজারভেটিভ পার্টির দুই লাখের বেশি সদস্য। অর্থাৎ ক্ষমতাসীন দলের সদস্যদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। আর সদস্যদের মাঝে পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলছে, বরিস জনসন সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। মূলত ‘পার্টিগেট’ থেকে শুরু হয়েছিল জনসন সরকারের ভাবমূর্তির পতন। ব্রিটেনে কঠোর কোভিড লকডাউন চলাকালে সরকারি বাসভবনে মদের পার্টি বসানো নিয়ে দলের মধ্যেই অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হয়েছিলেন বরিস।

এরপর থেকে একের পর এক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছে জনসন সরকার। কনজারভেটিভ পার্টির ডেপুটি চিফ হুইপ ক্রিস পিনচার-এর যৌন কেলেঙ্কারি কফিনে শেষ পেরেক মেরে দেয়। মত্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ চেপে ধরার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন পিনচার। প্রথম থেকে পুরোটা জেনেও, অস্বীকার করেছিলেন বরিস। পরে তার মিথ্যাচার ধরা পড়ে যায়।

এরপরই জনসন সরকারের অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন ঋষি সুনাক। যার সূত্র ধরে একের পর এক সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ইস্তফা দেন এবং বরিস জনসনও পদ ছাড়তে বাধ্য হন।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

nypratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর...

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বু বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

Editor : Naem Nizam

Executive Editor : Lovlu Ansar