সোমবার ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ইউরোপের নীতির সমালোচনায় অ্যামনেস্টি

বিশ্ব ডেস্ক   |   বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪ | প্রিন্ট  

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ইউরোপের নীতির সমালোচনায় অ্যামনেস্টি

ফাইল ছবি

অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে এবার সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। সেই সূত্রেই ইউরোপের দেশগুলোর মনোভাব ও অবস্থান নিয়ে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেশ করে জার্মানিতে অ্যামনেস্টির সেক্রেটারি জেনারেল জুলিয়া ডাচরো জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেয়ারবকের সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেছেন, “বেয়ারবক তথ্যের ভিত্তিতে মানবাধিকার ভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছেন না।” ইসরায়েল-গাজা সংঘাত নিয়ে ডবল স্ট্যান্ডার্ড-এর কথাও বলেছেন অ্যামনেস্টি প্রধান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইউরোপের কিছু নেতা এবং ইইউ নেতৃত্ব জাতিসংঘের চার্টারে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকারে উল্লিখিত নীতিগুলো মানছেন না। তাদের আচরণ ডবল স্ট্যান্ডার্ডের উদাহরণ হয়ে থাকছে।”

২০২৩-এর ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা নিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “হামাস ভয়ঙ্কর অপরাধ করেছে।”

যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ এবং অনেকগুলো দেশ হামাসকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বলে ঘোষণা করেছে। ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামাস এক হাজার দুইশ’ জনকে হত্যা করেছিল এবং প্রায় ২৫০ জনকে অপহরণ করে গাজা ভূখণ্ডে নিয়ে যায় ও বন্দি করে রাখে।

ডাচরো বলেছেন, “অ্যামনেস্টি হামাস বা কোনও সংগঠনকেই সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বলে অভিহিত করে না, কারণ, আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের কোনও সংজ্ঞা দেওয়া হয়নি।”

ইসরায়েল নিয়ে অ্যামনেস্টি

অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “৭ অক্টোবরের পর ইসরায়েল প্রত্যাঘাতের প্রচার শুরু করে। এরপর বেসামরিক মানুষের উপর, বেসামরিক পরিকাঠামোর উপর নির্বিচারে আক্রমণ শুরু হয়।”

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা আন্তর্জাতিক ও মানবিক আইন মেনে গাজায় আক্রমণ করেছে। কিন্তু বাস্তবে তারা এই আইনের প্রধান বিষয়গুলো লংঘন করেছে।”

গত দুই বছর ধরে ইসরায়েল ও ইহুদি সংগঠনগুলো অ্যামনেস্টির প্রবল সমালোচনা করছে। কারণ, আগের প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি ইসরায়েলকে ‘বর্ণবিদ্বেষী’ বলে অভিযোগ করেছিল। ইসরায়েল সেই অভিযোগ খারিজ করে দেয়। ইসরায়েলের অভিযোগ, অ্যামনেস্টি ইহুদি-বিদ্বেষ বাড়াচ্ছে এবং তারা সংঘাত নিয়ে একপেশে মনোভাব নিয়েছে।

মানবাধিকার নিয়ে অ্যামনেস্টি বক্তব্য

অ্যামনেস্টির সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেছেন, “১৯৪৮ সালের সর্বজনীন মানবাধিকারের প্রতিশ্রুতি থেকে বিশ্ব পিছনের দিকে যাচ্ছে।”

তিনি বলেছেন, “২০২৩ সালে অনেক সরকার ও সমাজ স্বৈরাচারী নীতি নিয়েছে, যার ফলে মতপ্রকাশের অধিকার ও লিঙ্গ-সাম্যর উপর আঘাত এসেছে।”

এই প্রতিবেদনে ইউক্রেন যুদ্ধ ও চীনের আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের প্রসঙ্গও আছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়ে বলা হয়েছে, “এর ফলে বারবার যুদ্ধাপরাধ করা হয়েছে। যুদ্ধবন্দিদের উপর অত্যাচার ও খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে। নদীবাঁধ ভেঙে দেওয়া, বিদ্যুৎকেন্দ্রের উপর আক্রমণ, খাদ্যশস্য রফতানি পরিকাঠামোর উপর আক্রমণের ফলে পরিবেশগত বিপুল ক্ষতি হয়েছে।” সূত্র: ডয়েচে ভেলে

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১২:৫৬ অপরাহ্ণ | বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

nypratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর...

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

Editor : Naem Nizam

Executive Editor : Lovlu Ansar