Advertisement Placeholder

‘নর্থ আমেরিকা-৮৩’র মিলনমেলায় মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের সংকল্প

নিজস্ব প্রতিনিধি   |   মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ৪১২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

‘নর্থ আমেরিকা-৮৩’র মিলনমেলায় মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের সংকল্প

নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে লাগোয়ার্ডিয়া হোটেল ম্যারিয়টের বলরুমে ২৩ জুলাই শনিবার ‘নর্থ আমেরিকা-৮৩’ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সপরিবারে এক ব্যতিক্রমধর্মী পুনর্মিলনের আয়োজন করে। বাংলাদেশে ১৯৮৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা এ উৎসবে অংশ নিয়ে হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির রোমন্থন করেন। ৩৯ বছর আগের স্মতি নতুন করে জাগ্রত হয় সেই সহপাঠিগণের সান্নিধ্যে আসায়। স্মৃতির ভেলায় ভাসতে ভাসতে অনেকে সংকল্পবদ্ধ হন সম্প্রীতির সেই বন্ধনকে সুদূর এই প্রবাসেও অটুট রেখে মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত অবধি আড্ডা, আলোচনা, সঙ্গীতে আবিষ্ট থাকলেও অংশগ্রহণকারি সকলের মধ্যেই মায়ামমতার বন্ধন পরিলক্ষিত হয়।

অনলাইনে সংগঠিত হওয়া ‘নর্থ আমেরিকা-৮৩’র অন্যতম এডমিন আনিসুর রহমান জানান, ঐ ব্যাচে যারা কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছি এবং জীবিকার তাগিদে কিংবা অন্য কোন কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করছি, তার মধ্যে ৭০ জনের মত মিলনমেলায় ছিলাম। সঙ্গে স্ত্রী-সন্তান এবং একমাত্র আমার মা আয়শা রহমানও ছিলেন। মিলনমেলায় সকলের মা হয়ে উঠেন আমার মা। এজন্যে র‌্যাফেল ড্র’র পুরস্কার তার মাধ্যমেই বিতরণ করা হয়। এমন অভাবনীয় দৃশ্যে সকলে আপ্লুত-অভিভ‚ত। প্রাণের সঙ্গে প্রাণ মেলানো এই উৎসবে অংশগ্রহণকারিরা পারস্পরিক সহযোগিতার দিগন্ত প্রসারের সংকল্প ব্যক্ত করেছেন। সন্তান-সন্ততিকে বাঙালি সংস্কৃতির আবহে জড়িয়ে রাখতে মাঝেমধ্যেই নানা কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তার কথাও ব্যক্ত করেন অনেকে।

এডমিনদের মধ্যে আরো ছিলেন প্রায় ডা. জহির, ব্রিগেডিয়ার (অব.) তোফায়েল আহমেদ, সাংবাদিক আনিছুর রহমান, রূপালী, সফিউল্লাহ, ফজলুর রহমান, তারেক, রাহুল, শাহিন, পাপপু প্রমুখ। আরো ছিলেন জাতিসংঘের কর্মকর্তা ড. আনিসুর রহমান। ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, কানাডা, নিউজার্সি, ভার্জিনিয়া, প্রভৃতি স্থান থেকে সপরিবারে অংশগ্রহণ করেন মঞ্জু, তোহা, মিঠু, নিহার, রাহুল, আলমগীর, মনসুর হক, রক্সি, তাহমিনা, মোরশেদুল হক, মুসা, শরিফ, বাদল, মিন্টু, মুনির, জামান, নাসিমা, দেবব্রত, এস এম জিন্নাহ, নাজিম, শাহীন, শফিক, রায়হান, শিল্পী, বরকত, ডা. বর্ণালী হাসান, ইনামুল হক, রফিক, লিনু খন্দকার, জামি, লিটু, রলিন, মেসবাহ প্রমুখ।

আয়োজনকে নতুন প্রজন্মের সবাই বন্ধু-বান্ধব খুঁজে পাবার অবলম্বন হিসেবে বেছে নেয়। অর্থাৎ মা-বাবার সহপাঠিগণের সন্তানেরাও একটি নেটওয়ার্কে আসার পথ পেল। এখানেই হচ্ছে বিদেশ-বিভূইয়ে এমন আয়োজনের স্বার্থকতা-মন্তব্য সুধীজনের।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আবু তাহের
নির্বাহী সম্পাদক
লাবলু আনসার