
বিশেষ সংবাদদাতা | সোমবার, ০৬ মে ২০২৪ | প্রিন্ট | ২৩৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বক্তব্য দিচ্ছেন আকতার হোসেন বাদল, পাশে অনুষ্ঠানের কনভেনর সিদ্দিক পাটোয়ারি। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।
সংখ্যাগতভাবে বাংলাদেশিরা বিশেষ একটি অবস্থানে উন্নীত হলেও মার্কিন রাজনীতি ও প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠা সম্ভব হয়নি। এর কারণ, ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে সীমাহীন কৃপণতা এবং প্রার্থীগণের নির্বাচনী তহবিলে শরিক না হওয়া। এ দুটি বিষয়ে সকলকে মনোযোগী হতে হবে সামনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে। এছাড়া, স্থানীয় ও ফেডারেল পর্যায়ে (সিটি মেয়র, স্টেট সিনেট. অ্যাসেম্বলী, ইউএস সিনেট, কংগ্রেসম্যান) প্রার্থীগণের নির্বাচনী সমাবেশ ও তহবিলেও কম-বেশী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা দরকার। এটাই সময়ের দাবি। এমন আকুতি উচ্চারিত হয় ৪ মে শনিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে ‘রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন’র নয়া কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে।
মূলধারার রাজনীতিক (ডেমক্র্যাট) ফাহাদ সোলায়মান এবং ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক (ডেমক্র্যাট)আকতার হোসেন বাদলের কন্ঠে আরো ধ্বনিত হয় ঐক্যের আকুতি। মার্কিন রাজনীতির সাথে সকলকে জড়িয়ে পড়তে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তাহলে কোন কিছুই অপূর্ণ থাকবে না। লং আইল্যান্ড চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পর্ষদের অন্যতম সদস্য আকতার হোসেন বাদল আরো বলেন, রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাওলানা ফখরুল ইসলাম মাসুম সামনের বছরের মধ্যে দুই শত কবরের জায়গা ক্রয় এবং মেধাবি (দেশ ও প্রবাসে) শিক্ষার্থীদের বৃত্তির চলমান কর্মসূচি সম্প্রসারণের যে লক্ষ্য স্থির করার কথা ব্যক্ত করেছেন তাও সহজেই অর্জিত হবে যদি সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি। আর এভাবে প্রতিটি জেলা, উপজেলার প্রবাসীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের পথও সুগম হবে। চাঁদপুরের সন্তান বাদল আরো বলেন, আমাদেরকে বাংলাদেশী রাজনীতির ডামাডোল পরিহার করতে হবে। কারণ, সেটি নিজেদের মধ্যে বিবাদ-বিভক্তি ক্রমান্বয়ে চরমে উঠিয়েছে। আমাদের স্লোগান হবে বাংলাদেশ এবং আমরা সকলে বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশের কল্যাণই আমাদের কাম্য হওয়া উচিত। এজন্যেই হয় ডেমক্র্যাটিক পার্টি, নয় রিপাবলিকান পার্টির সমর্থক হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়া জরুরি। ফাহাদ সোলায়মান বলেন, অনেকে সিটিজেনশিপ নিয়েও ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হননি। এই শুন্যতা পরিহার করতে হবে। ভোটার হতে হবে এবং ভোট যুদ্ধে লিপ্ত হলেও মার্কিন প্রশাসনে আমাদের গুরুত্ব বাড়বে।
প্রবাসে প্রাচিনতম সংগঠনের অন্যতম রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাওলানা ফখরুল ইসলাম মাসুমের সভাপতিত্বে এ অভিষেক উৎসবে অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি মো. রব মিয়া, সেক্রেটারি রুহুল আমিন সিদ্দিকী, সাবেক সেক্রেটারি ও জালালাবাদ এসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার আতাউর রহমান সেলিম, সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও মূলধারার রাজনীতিক মোহাম্মদ আলী, আবাসন ব্যবসায়ী মিনহাজুল ইসলাম মুকুল, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি দিলআফরোজ নার্গিস প্রমুখ। সকল বক্তাই কম্যুনিটির ঐক্য প্রত্যাশা করেন এবং ঐক্যের সেই যাত্রা রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশনের পথ ধরেই বলিষ্ঠতা পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে পরাজিতদের উষ্কে দিয়ে এই ফাউন্ডেশনে বিভক্তির রেখা বিস্তৃত করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। কিন্তু এলাকার বিশিষ্টজনদের চেষ্টায় সেই অনৈক্য কেটে গেছে।



