
লাবলু আনসার, যুক্তরাষ্ট্র | শনিবার, ১১ মে ২০২৪ | প্রিন্ট | ৬৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

মার্কিন অস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েল গাজায় অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে বলে ১০ মে শুক্রবার হোয়াইট হাউজ উল্লেখ করেছে। তবে পর্যাপ্ত কোনো তথ্য এখোন পর্যন্ত মিলেনি বা পাওয়া যায়নি যা দিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন সিদ্ধান্তে আসা যায়। বাইডেন প্রশাসনের এই মূল্যায়নের মধ্যদিয়ে গাজায় মানবতাবিরোধী অপরাধে লিপ্ত রয়েছে ইসরায়েল-এ ব্যাপারটি স্পষ্ট হলেও ইসরায়েলকে সামরিক সহযোগিতা বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের পক্ষে যথেষ্ঠ তথ্য-উপাত্ত মিলেনি বলে হোয়াইট হাউজ তার ব্যাখায় উল্লেখ করেছে।
ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞে ইসরায়েলের আচরণের নিন্দা, প্রতিবাদ উঠেছে গত অক্টোর থেকেই এবং এমন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ডেমক্র্যাটিক পার্টির সিনেটর-কংগ্রেসম্যানরাও। এছাড়া, সারা আমেরিকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তুমুল আন্দোলন রচিত হয়েছে ইসরায়েলের বর্বরতার বিরুদ্ধে। সামগ্রিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রেসিডেন্ট বাইডেন নির্দেশ দিয়েছিলেন গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ধরণ নির্ণয়ের জন্যে। বাইডেন নিজেও বেশ কয়েক দফা ইসরায়েলকে আহবান জানিয়েছেন হামাস জঙ্গি দমনের অভিযানের টার্গেট যেন অসহায় ফিলিস্তিনিরা না হয়। এতদসত্বেও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন পর্যায়ে গাজায় অভিযানের সময় ইসরায়েলি বাহিনীর জঘন্য বর্বরতার তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে।
অসহায় নারী-শিশু, এমনকি হাসপাতালে চিকিৎসাধীনরাও ইসরায়েলি বোমায় হতাহত হচ্ছেন। আগের চুুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত অস্ত্র-সামগ্রিও গাজায় অসহায় মানুষ হত্যায় ব্যবহৃত হচ্ছে বলে বাইডেন প্রশাসনের লোকজনও উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ মার্কিন অস্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে যুদ্ধাপরাধে। তবে সর্বশেষ বাইডেন প্রশাসনের এই মূল্যায়ন জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক প্রধান প্রধান সাহায্য-সংস্থাগুলোর সাথে মিলেনি। যদিও রাফা, গাজায় ফিলিস্তিনিদের খাদ্য ও চিকিৎসা সমস্যা সমাধানে ইসরায়েলের বৈরী আচরণ অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করা হয়েছে হোয়াইট হাউজের এ রিপোর্টে।
চলতি সপ্তাহে রাফায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর গাজা, রাফায় আন্তর্জাতিক ত্রাণ বহনকারী যানবাহনের প্রবেশাধিকার একেবারেই বন্ধ হয়ে পড়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে।



