
বিশ্ব ডেস্ক | বুধবার, ২২ মে ২০২৪ | প্রিন্ট | ৯১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মিত্রদের সরাসরি জড়িত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এ সময় রুশ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে প্রতিহত করতে এবং দেশটির সীমান্তের কাছে জড়ো হওয়া সামরিক সরঞ্জামগুলোর বিরুদ্ধে পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। এর মাধ্যমে মিত্র দেশগুলোকে এই যুদ্ধে আরও সরাসরিভাবে জড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সোমবার (২০ মে) কিয়েভে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জেলেনস্কি বলেছেন, এটি ইচ্ছার ব্যাপার। তবে প্রত্যেকে এমন একটি কথা উচ্চারণ করে, যা প্রতিটি ভাষায় একই রকম শোনায়: সবাই সংঘাত বৃদ্ধির ভয় পায়। ‘ইউক্রেনীয়দের মৃত্যুর খবরে প্রত্যেকেই অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। প্রতিবেশী ন্যাটো দেশগুলো চাইলে ইউক্রেনকে আত্মরক্ষায় সাহায্য করতে পারে। এ জন্য তাদের সশস্ত্র বাহিনীকে ইউক্রেনের ভূখণ্ডে আসা রুশ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর বিরুদ্ধে লড়তে হবে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলা শুরু করে রাশিয়া। এর পর থেকে ইউক্রেনে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন নিক্ষেপ করেছে দেশটি। ১০ মে খারকিভের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত অঞ্চলে নতুন করে হামলা শুরু করেছে রুশ সেনারা। সেখানে দেড় বছরের মধ্যে বৃহত্তম আঞ্চলিক অগ্রগতি করেছে তারা।
জেলেনস্কি বলেছিলেন, রুশরা ইউক্রেনের ভূখণ্ডে ৩০০টি বিমান ব্যবহার করছে। পশ্চিমা মিত্রদের অতিরিক্ত বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলছিলেন, আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য আমাদের কমপক্ষে ১২০-১৩০টি বিমান দরকার। ইউক্রেনে মার্কিন নকশাকৃত এফ-১৬ যুদ্ধবিমান সরবরাহ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সেগুলো দেশটিতে পৌঁছাতে দীর্ঘ বিলম্ব হচ্ছে।
এদিকে, রুশ আক্রমণের মুখে ইউক্রেনকে জরুরিভাবে বিমান প্রতিরক্ষা জোরদার করতে হবে। জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক এক অঘোষিত সফরে কিয়েভে পৌঁছে এ সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, রাশিয়া বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে এবং খারকিভ অঞ্চলে নৃশংস আক্রমণ চালাচ্ছে। এতে ইউক্রেনের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। খবর আলজাজিরা ও দ্য গার্ডিয়ান।



