Advertisement Placeholder

অবৈধ সম্পদের অভিযোগ : বেনজীরের সম্পদ বিক্রি হস্তান্তর বন্ধে বিভিন্ন দপ্তরে দুদকের চিঠি

প্রতিদিন ডেস্ক   |   সোমবার, ২৭ মে ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ৯৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

অবৈধ সম্পদের অভিযোগ : বেনজীরের সম্পদ বিক্রি হস্তান্তর বন্ধে বিভিন্ন দপ্তরে দুদকের চিঠি

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের জব্দ ও অবরুদ্ধ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বিক্রি, হস্তান্তর বন্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আদালতের আদেশের কপি ও চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২৭ মে) দুদকের ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ের বিশেষ অনুসন্ধান টিম আদেশের কপি পাঠায়।

সূত্র জানায়, বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামের জব্দ জমি বিক্রি, হস্তান্তর বন্ধে আদালতের আদেশের কপি সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রার ও সংশ্লিষ্ট সাব রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানো হয়েছে। জমি অন্য কারোর নামে যাতে নামজারি না করা হয় সেজন্য আদালতের রায়ের কপি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড অফিসে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, কোম্পানির শেয়ার স্থানান্তর বন্ধে শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসিতে আদালতের রায়ের কপি পাঠানো হয়েছে। কোম্পানির মালিকানা হস্তান্তর বন্ধে যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে আদালতের ওই আদেশ পাঠানো হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকে জমা থাকা টাকা উত্তোলন বন্ধে অবরুদ্ধের আদেশ সোনালী ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র জানায়, দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ গত ২৩ মে ও ২৬ মে দুই দফায় বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামের বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধের আদেশ দেন। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে জব্দ ও অস্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে আদালতের আদেশের কপির সঙ্গে চিঠিও পাঠানো হয়। চিঠিতে ওই আদেশ অনুযায়ীে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

গত ২৬ মে আদালত বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামের ১১৯টি জমির দলিল, ২৩টি কোম্পানির শেয়ার ও গুলশানে ৪টি ফ্লাট জব্দের আদেশ দেন। গত ২৩ মে তাদের নামীয় ৩৪৫ বিঘা (১১৪ একর) জমি, বিভিন্ন ব্যাংকের ৩৩টি হিসাব জব্দ ও অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়।

দুদক সূত্র জানায়, আদালতের আদেশের পর সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চোখে ধুলো দিয়ে যাতে সম্পদ বিক্রি, হস্তান্তর ও ব্যাংক থেকে যাতে অর্থ উত্তোলন করতে না পারেন সেজন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিটি অফিসে আদালতের আদেশের কপি পাঠানো হয়েছে। এই পর্যায়ে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যরা তাদের নামীয় সম্পদ বিক্রি, হস্তান্তর করতে গেলে সরকারের সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো রেকর্ডভিত্তিক সম্পদ যাচাই করে আদালতের আদেশ পরিপালন করবে। তাতে জব্দ ও অবরুদ্ধ সম্পদ বেহাত হওয়ার কোনো ধরনের সুযোগ থাকবে না।

জানা গেছে, দুদক গত ২২ এপ্রিল বেনজীর, তার স্ত্রী জিসান মির্জা, দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাশিন রাইসা বিনতে বেনজীরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ অনুসন্ধান টিম অভিযোগটি অনুসন্ধান করছে। টিমের অন্য দুই সদস্য হলেন- সহকারী পরিচালক নিয়ামুল আহসান গাজী ও জয়নাল আবেদীন।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আবু তাহের
নির্বাহী সম্পাদক
লাবলু আনসার