
প্রতিদিন ডেস্ক | শনিবার, ২২ জুন ২০২৪ | প্রিন্ট | ৯০ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,উভয় দেশের জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে ডিজিটাল ও সবুজ অংশীদারিত্বের জন্য একটি যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত হয়েছে ঢাকা ও নয়াদিল্লি।
তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের যাত্রায় উভয় দেশই ‘ভিশন স্টেটমেন্ট’ অনুমোদন করেছে। আমরা ‘ডিজিটাল পার্টনারশিপ’ এবং টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সবুজ অংশীদারিত্বর জন্য একটি যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত হয়েছি।
নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে নরেন্দ্র মোদির সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর গণমাধ্যমের সামনে একটি যৌথ বিবৃতিতে এসব মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। সূত্র : বাসস।
শেখ হাসিনা বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, নিরাপত্তা ও বাণিজ্যের বিষয়টি উঠে আসে।
ভারতকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আঞ্চলিক অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন— ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় শুরু হওয়া ভারতের সাথে সম্পকর্কে বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে মূল্যায়ন করে।
এর আগে, এদিন সকালে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আতিথেয়তা গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২১ জুন শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে এ সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ভারতের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল এবং বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।
লোকসভা নির্বাচনে জয়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর ভারতে কোনো সরকারপ্রধানের এটিই প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর। দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আজ একান্ত বৈঠক হবে। তারপর প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনা হবে। দু’দেশের মধ্যে বেশ কিছু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে। এ ছাড়া একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১৫ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে এটি ভারতে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সফর। তিনি গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।



