Advertisement Placeholder

জ্যামাইকায় গভর্নর জেনারেলের কাছে হাই কমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ৭৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জ্যামাইকায় গভর্নর জেনারেলের কাছে হাই কমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ

জ্যামাইকার গভর্ণর জেনারেল স্যার প্যাট্রিক লিন্টন অ্যালেনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন হাই কমিশনার মুহিত। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ জ্যামাইকাতে সমবর্তী হাই কমিশনার হিসেবে ১৬ জুলাই পরিচয়পত্র পেশ করলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। দ্বীপরাষ্ট্র জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টনে অবস্থিত কিংস্ হাউজে জ্যামাইকার গভর্ণর জেনারেল স্যার প্যাট্রিক লিন্টন অ্যালেন এর কাছে পরিচয়পত্র পেশ করার পর নব-নিযুক্ত হাই কমিশনার মুহিত জ্যামাইকার গভর্নর জেনারেল, সরকার ও জনগণের প্রতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন ।

তিনি সামনের দিনগুলোতে জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ ও জ্যামাইকার ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেন। তাঁরা একমত হোন যে প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশ দু’টির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও সম্প্রসারিত করার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। হাই কমিশনার মুহিত ও গভর্নর জেনারেল বাংলাদেশ ও জ্যামাইকার মধ্যে নিয়মিত ফরেন অফিস কনসাল্টেশন (এফওসি) আয়োজনের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা করেন, যা দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার একটি প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। তাঁরা দু’দেশের অভিন্ন মূল্যবোধ ও ক্রিকেট ও সঙ্গীতের প্রতি গভীর নিবেদন ও একাত্মবোধের প্রতি আলোকপাত করেন। গভর্নর জেনারেল হাই কমিশনার মুহিতকে শুভ কামনা জানান এবং তাঁর মেয়াদকালে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
এর আগে হাই কমিশনার মুহিত জ্যামাইকার পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী সিনেটর কামিনা জনসন স্মিথের সাথে তাঁর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাত করেন । এসময় জ্যামাইকার পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকান্ড ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। জ্যামাইকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের হাই কমিশনার পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন এবং উভয়েই বিভিন্ন ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার গভীর ইচ্ছা প্রকাশ করেন। নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের সফর বিনিময়, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যমে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও বাড়ানো যেতে পারে বলে উল্লেখ করেন হাই কমিশনার মুহিত। তিনি বাংলাদেশ ও জ্যামাইকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার উপরও জোরদেন। আলোচনায় হাই কমিশনার মুহিত উভয় দেশের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের সম্ভাব্যতা আলোচনা করেন এবং CARICOM এর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে জ্যামাইকার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বাংলাদেশের হাই কমিশনার দু’দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের প্রস্তাব করেন। তিনি জ্যামাইকার গভর্নর জেনারেল এবং পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। হাই কমিশনারের স্ত্রী রুবি পারভীন ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কাউন্সেলর মোঃ রফিকুল আলম মোল্লা হাই কমিশনারের সফরসঙ্গী ছিলেন।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আবু তাহের
নির্বাহী সম্পাদক
লাবলু আনসার