Advertisement Placeholder

সরকারি চাকরিতে ৯৩% নিয়োগ মেধার ভিত্তিতে, প্রজ্ঞাপন জারি

প্রতিদিন ডেস্ক   |   বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ৫৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

সরকারি চাকরিতে ৯৩% নিয়োগ মেধার ভিত্তিতে, প্রজ্ঞাপন জারি

সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরির সব গ্রেডে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে ৯৩ শতাংশ। বাকি ৭ শতাংশ নিয়োগ হবে কোটার ভিত্তিতে। এ ব্যবস্থা রেখে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

• চাকরির সব গ্রেডে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে ৯৩ শতাংশ

• বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ

• ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ

• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১ শতাংশ

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, চাকরির সব গ্রেডে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে ৯৩ শতাংশ। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১ শতাংশ কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত এই কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে কোটার শূন্য পদও সাধারণ মেধাতালিকা থেকে পূরণ করা হবে।

ঢাকার গুলশানে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে প্রজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, আপিল বিভাগের রায়ের ভিত্তিতে সরকার কোটা নির্ধারণ করেছে। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের বাইরে কিছু করার সুযোগ নেই। আপিল বিভাগের রায় প্রতিপালন করেই কোটাব্যবস্থার সংস্কার করা হয়েছে।

 

প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে চলমান সমস্যার সমাধান হলো কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি এবং বিশ্বাস করি, কোটা সংস্কার আন্দোলনে কোটার সংস্কার চাওয়া হয়েছিল, সেই আন্দোলনের মাধ্যমে যে বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, সেটা দূরীকরণ করা হয়েছে।

 

‘চাকরিতে কোটা সংস্কারের বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতের রায় প্রতিপালন করা হয়েছে। সহিংসতায় হতাহতের ঘটনায় এক সদস্যবিশিষ্ট বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনও গঠন করা হয়েছে। কাজও শুরু হয়েছে। সহিংসতার ঘটনায় সাধারণ ছাত্রছাত্রী যারা আহত হয়েছেন, তাদের চিকিৎসার বিষয়ে সরকার দেখভাল করবে।’

 

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে গত শুক্রবার রাত থেকে কারফিউ জারি করে সরকার। যা এখনও বহাল আছে।

 

গত ২১ জুলাই সরকারি চাকরির কোটা নিয়ে রায় দেন আপিল বিভাগ। রায়ের পরের দিন এ সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন বিষয়ে অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডের (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি) সব কোটা বাতিল করা হয়। তবে ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডে (মূলত তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) কোটা ছিল। যদিও প্রতিষ্ঠান ভেদে এসব পদের কোটায় কিছু ভিন্নতা আছে।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আবু তাহের
নির্বাহী সম্পাদক
লাবলু আনসার