
বিশেষ সংবাদদাতা | শুক্রবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৭২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বাবা জো বাইডেনের সাথে হান্টার বাইডেন শিকাগোতে গতমাসে অনুষ্ঠিত ডেমক্র্যাটিক পার্টির জাতীয় সম্মেলনে। ছবি-সংগ্রহ।
দেড় মিলিয়ন ডলারের ট্যাক্স ফাঁকির মামলায় দোষ স্বীকার করলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের পুত্র হান্টার বাইডেন। ২০১৬ থেকে ২০১৯ অর্থ বছরের ট্যাক্স দেননি বাইডেনের পুত্র হান্টার। এই মামলার শুনানী শুরুর দিন অর্থাৎ ৫ সেপ্টেম্বর ফেডারেল কোর্টে হাজির হয়ে হান্টার দোষ স্বীকার করলেন খুবই কম শাস্তি ভোগের অভিপ্রায়ে। ফেডারেল জজ মার্ক সি স্কারসির এজলাশে হাজির হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে ট্যাক্স প্রদান না করার কারণ দর্শিয়ে হান্টার বলেছেন, সে সময় তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। সেই আসক্তি থেকে পরিত্রাণের প্রক্রিয়ায় ছিলেন। তবে পরবর্তীতে অর্থাৎ ২০২১ সালে বকেয়া ট্যাক্স পরিশোধ করেছেন। মাননীয় আদালতে হান্টার উল্লেখ করেন, আরো অনেক আমেরিকানের মতোই আমিও ঠিক সময়ে ট্যাক্স দিতে পারিনি। এবং এজন্যে আমি দায়ী। তবে আমি মাদকাসক্ত ছিলাম বলে দায় এড়াতে পারি না। তবুও আমি কেন নির্দিষ্ট সময়ে ট্যাক্স পরিশোধ করিনি তার ব্যাখা প্রদানের জন্যেই বিষয়টি উল্লেখ করলাম। মাদকাসক্ত থাকাবস্থায় আমি খেয়াল করতে পারিনি ট্যাক্স প্রদানের বিষয়টি। সে সময় আমি কেবলই ভেবেছি স্বাভাবিক জীবনে ফেরার। এতদসত্বেও জুরিবোর্ড আমার কথা শুনতে চাইবে না যা বিলম্বে জরিমানাসহ বকেয়া ট্যাক্স প্রদানের কথাও শুনবে না।
উল্লেখ্য, ট্যাক্স ফাঁকির মামলায় সর্বোচ্চ ১৭ বছরের জেল হতে পারে। তবে হান্টার শুনানীর সময়েই দোষ স্বীকার করায় শাস্তির পরিমাণ খুবই কম হতে পারে বলে আইনজীবীরা উল্লেখ করেছেন। যদিও বিচার বিভাগীয় স্পেশাল কাউন্সেল ডেভিড উয়েইস হান্টারের দোষ স্বীকারের এই প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তিনি চেয়েছিলেন জুরি বোর্ড কর্তৃক হান্টারকে দোষী সাব্যস্ত করতে। উল্লেখ্য, মাননীয় আদালত ট্যাক্স ফাঁকির এই মামলায় হান্টারের জেল-জরিমানা ঘোষণার তারিখ ধার্য করেছেন ১৬ ডিসেম্বর। আরো উল্লেখ্য, এর আগে মাদকাসক্ত থাকাবস্থার তথ্য গোপন করে অস্ত্র ক্রয়ের মামলায় গত জুনে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন হান্টার বাইডেন। সেই মামলার সাজা ঘোষণা করা হবে একইসময়ে। সেটিতেও সর্বোচ্চ ২৫ বছরের জেল হতে পারে হান্টারের।
ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল কোর্টে ট্যাক্স ফাঁকির মামলায় দোষ স্বীকারের প্রাক্কালে হান্টার (৫৪) বলেন, মাদকাসক্ত হওয়া নিয়ে মা-বাবা-স্ত্রী-সন্তান সকলেই বিব্রত হয়েছেন। ট্যাক্স বিলম্বে পরিশোধের ইস্যুতে নতুন করে তাদেরকে বিব্রত করতে চাই না।



