
যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি | রবিবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ২০৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

জাতীয় সঙ্গীত এবং জাতীয় পতাকা পরিবর্তনের যে কথা উঠেছে তার নিন্দা ও প্রতিবাদের পাশাপাশি এ ধরনের ঔদ্ধত্য প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে ৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার অপরাহ্নে নিউইয়র্কে একটি সমাবেশ হলো। সিটির জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজায় শতশত প্রবাসীর কণ্ঠে ধ্বনিত হলো ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। আর এর মধ্যদিয়েই ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা ঐদ্ধত্ব্য প্রদর্শনকারীদের ধিক্কার জানালো।
‘উদীচী’র এ আয়োজনে সাংস্কৃতিক কর্মী ছাড়াও ছিলেন সাংবাদিক, কবি, লেখক, খেটে খাওয়া প্রবাসীরা সপরিবারে। এ সময় সুব্রত বিশ্বাসের সমন্বয়ে আলিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সৈয়দ মুহম্মদ উল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ উল ইসলাম, আর্টিস্ট ওবায়দুল্লাহ মামুন, কম্যুনিটি অ্যাক্টিভিস্ট মুজাহিদ আনসারী প্রমুখ। বক্তারা উল্লেখ করেন, “আমরা দায়বদ্ধ মানুষের প্রতি। আমাদের অর্জন আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যখনই কোনো আঘাত আসবে, আমরা তার প্রতিবাদ করব।”

জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা কারও দানে পাওয়া নয় উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, “লাখো শহীদের রক্তে পাওয়া আমাদের এ অর্জন। এই অর্জনকে কোনোভাবেই কলঙ্কিত করা যাবে না। যখনই কেউ মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয় পতাকা এবং জাতীয় সংগীতে আঘাত করবে, আমরা তার প্রতিবাদ করবই।”
সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর যুক্তরাষ্ট্র শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু বলেন, “যখনই দেশের উপর, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের উপর আঘাত এসেছে- আমরা প্রতিবাদ করেছি। এবারও জাতীয় সংগীত গেয়ে এই কর্মসূচি, সেই ধারাবাহিক প্রতিবাদেরই অংশ।” উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতকে ‘স্বাধীনতার অস্তিত্বের পরিপন্থি’ আখ্যা দিয়ে তা পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী।
জাতীয় সঙ্গীত ছাড়াও দেশের গান পরিবেশিত হয় সমবেত কণ্ঠে। ছোট্টমনিরাও ছিল মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে ঘৃণা প্রদর্শনের এই কর্মসূচিতে।



