
বিশেষ সংবাদদাতা | বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৭৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বির মধ্যেকার বিতর্কের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে কোন ডিরেকশনে চলবে আমেরিকা। বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে পেনসিলভেনিয়া স্টেটের ফিলাডেলফিয়া সিটির ন্যাশনাল কন্সটিটিউশনাল সেন্টারে।
এটি হচ্ছে কমলা হ্যারিসের সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম ও সর্বশেষ নির্বাচনী বিতর্ক। এর আগে ডেমক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ট্রাম্পের বিতর্কের পর নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বাইডেন। অর্থাৎ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বৈতরণী পাড়ি দেয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের বিতর্কের গুরুত্ব অপরিসীম। জাতীয়, আন্তর্জাতিক ইস্যুর পাশাপাশি নিজের প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনকল্যাণে সুদূর প্রসারি পরিকল্পনা উপস্থাপনে যতবেশী পারদর্শিতা প্রদর্শিত হবে-ততই বিজয়ে ভাগ্য প্রসন্ন হয়। ইতিপূর্বেকার নির্বাচনে এমন অবস্থা দৃশ্যমান হয়েছে। সে সব ক্ষেত্রে এবারের এই বিতর্কের গুরুত্ব আরো বেশী। কারণ, হোয়াইট হাউজে আবারো ফিরতে পারলে উপরোক্ত ইস্যুতে ট্রাম্প কেমন ভয়ংকর পদক্ষেপ নেবেন তা ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। মুসলিম বিশ্বকেই শুধু নয়, তৃতীয় বিশ্বে নির্বাচনী ব্যবস্থাকেও আক্রমণ করেছেন ট্রাম্প।
অভিবাসীদের রক্ত-ঘামে গড়ে উঠা আমেরিকার নেতা হতে পারলে অভিবাসনের অনেক কার্যক্রমকে থামিয়ে দেয়ার পাশাপাশি সীমান্তে অসমাপ্ত দেয়াল নির্মাণের কাজটিও শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির মুখে নাজুক অবস্থা স্বীকারই করতে চাচ্ছেন না ট্রাম্প এবং তার রিপাবলিকান নীতি-নির্দ্ধারকরা। ইসরাইলের আগ্রাসী তৎপরতা, রাশিয়ার ইউক্রেন গ্রাসের স্বৈরাচারি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবেন তা এখনো স্পষ্ট করেন নি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ন্যাটোর সাথে সম্পর্কের পরিধি ক্যামন হবে সে ব্যাপারেও জানতে চান আমেরিকানরা। তবে ট্রাম্প নতুন কোন যুদ্ধে আমেরিকাকে লিপ্ত করবে না বলে আভাস দিয়েছেন। শান্তির পক্ষে সরব কমলার মত ট্রাম্পের বক্তব্যেও তা আসছে। কমলা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন সমস্যাকে বাস্তবতার আলোকে ঢেলে সাজানোর অঙ্গিকার করেছেন। স্বল্প ও মাঝারি আয়ের মানুষের কল্যাণে নিজের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন।
সর্বোপরি আমেরিকানরা ভোটারেরা গভীর মনোযোগ রাখবেন বিতর্কে উপস্থাপিত পরিকল্পনার ওপর।



