
বিশ্ব ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৬৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

৬ কোটি ৭১ লাখ আমেরিকান ট্রাম্প-কমলার টিভি-বিতর্ক দেখেছেন। আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণা-সমাবেশে এটা হচ্ছে সবচেয়ে বৃহত্তম একটি পরিক্রমা। গত ২৭ জুন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সাথে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কের চেয়ে ৩১% বেশি আমেরিকান সরাসরি টিভিতে তা প্রত্যক্ষ করেছেন। নীলসনের তথ্য অনুযায়ী এর বাইরেও অসংখ্য মানুষ বিতর্ক দেখেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখনো টিভি দর্শকের কাছে প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কের আকর্ষণ কমেনি।
অধিকন্তু দিনদিনই জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সামাজিত যোগাযোগ মাধ্যমের চেয়ে অধিক জনপ্রিয় এই টিভি বিতর্ক-যা আমেরিকানদের প্রার্থী বাছাইয়ে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। ফিলাডেলফিয়ায় ন্যাশনাল কন্সটিটিউশন সেন্টারে ৯৫ মিনিটের এই বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয় এবিসি টিভির উদ্যোগে। ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিন্টনের সাথে রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় বিতর্কের দর্শকের চেয়েও এবারের দর্শকের সংখ্যা বেশি ছিল।
এবারের দর্শকের অধিকাংশই ছিলেন তরুণ ভোটার। তারা গাজা যুদ্ধ এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রার্থীদের মনোভাব জানতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছিলেন টিভির সামনে।
এই বিতর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসীদের আক্রমণ করতে গিয়ে এমন সব উদ্ভট প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে প্রধান প্রধান গণমাধ্যমে। ট্রাম্প বলেছেন, অবৈধ অভিবাসীরা আমেরিকানদের গৃহপালিত পশু খেয়ে ফেলছে। চুরি-ছিনতাই-ধর্ষণের মতো অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। এসবের জন্য দায়ী হলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত নির্বাচনে ট্রাম্প পরাজিত হননি এবং ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে দাঙ্গাকারিদের উসকে দেননি বলে যে কথা বলেছেন তা নিয়েও সমালোচনা হচ্ছে। মিথ্যাচারে অভ্যস্ত ট্রাম্প এবারও বিজয়ের মুকুট পড়বেন-এমন প্রশ্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।



