
যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি | বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ১৩৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স:) উপলক্ষে নিউইয়র্কে ওয়াজ মাহফিলে ইসলামিক স্কলারগণ সবার প্রতি উদাত্ত আহ্ববান জানিয়েছেন ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে বাংলাদেশকে যেন বহির্বিশ্বে মৌলবাদী-উগ্রবাদী দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা না হয়। তাহলে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফসল বেহাত হয়ে পড়তে পারে।
১৬ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসে নবান্ন পার্টি হলে এ মাহফিলে শতাধিক ইসলামিক স্কলার ছাড়াও ছিলেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা।
মাহফিলের আয়োজক ‘জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন’ তথা জেবিবিএর সভাপতি ও মূলধারার রাজনীতিক গিয়াস আহমেদ বলেন, উগ্রপন্থিরা ঈদে মিলাদুন্নবীর বিরুদ্ধাচরণ করছেন এবং মাজার ভাংচুর করা হচ্ছে। এটা কোনভাবেই শুভ লক্ষণ নয়। এমন অপতৎপরতা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। মহানবী (স:) জন্মেছিলেন মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত রেখে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যে। এবং সেটি হচ্ছে ইসলাম এবং আমরা সবাই জানি ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম।
গিয়াস আহমেদ বলেন, বাংলাদেশকে একটি মৌলবাদি রাষ্ট্রের তকমা লাগানোর জন্যে একটি গোষ্ঠি উঠেপড়ে লেগেছে। কিন্তু এই বিপ্লবের মাধ্যমে, দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করা যাবে না। আমরা আজ নিন্দা জানাই মাজার ভাঙায় লিপ্তদের প্রতি।
মাহফিলের প্রধান বক্তা ব্রুকলীনের বেলাল মসজিদের ইমাম এবং লেখক-গবেষক ড. সৈয়দ আনসারুল করিম আজহারীও একই আহ্বান জানিয়েছেন ধর্মপ্রাণ প্রতিটি বাংলাদেশির প্রতি।
নর্থ আমেরিকাস্থ ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমাম এ্যান্ড ওলেমা কাউন্সিল’র প্রেসিডেন্ট ড. সাইয়্যেদ মুতাওয়াক্কিল বিল্লাহ রব্বানীর সভাপতিত্বে এ মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন নর্থ ব্রঙ্কস ইসলামিক সেন্টারের খতিব ড. সাইফুল আজম বাবর। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আরও ছিলেন বার্লিন থেকে আসা আলহাজ্ব মাওলানা হেলাল উদ্দিন সিরাজি, লন্ডন থেকে আসা মুফতি আব্দুর রহমান নিজামী, ড. মাওলানা এমদাদুল হক, মুফতি হাজী মো. ইকরাম উদ্দিন, পাকিস্তান থেকে ক্বারি মুহাম্মদ ফারুক, নিউইয়র্কে মোহাম্মদী সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইমাম কাজী কায়্যুম, মাওলানা অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান প্রমুখ। আয়োজকদের পক্ষে মঞ্চে আরও ছিলেন ফাহাদ সোলায়মান, সেলিম হারুন এবং আসেফ বারি টুটুল। মাহফিলে বিশিষ্টজনদের মধ্যে নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জসীমউদ্দিন, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পরিষদের সভাপতি শাহাদৎ হোসেন রাজু, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান, জেবিবিএর নেতা কামরুজ্জামান কামরুল, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান প্রমুখ ছিলেন।



