
নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ১০ অক্টোবর ২০২২ | প্রিন্ট | ১১১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

সিনেটর শেখ রহমান। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৮ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটিক পার্টির বিজয় নিশ্চিত কল্পে বহির্বিশ্বে আমেরিকান ভোটারদের সাথেও কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত সোমবার অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইউরোপিয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহে ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতৃবৃন্দের বৈঠকে যোগদান করেছিলেন ডেমক্র্যাটিক পার্টির লিডারশিপ কাউন্সিলে জর্জিয়া স্টেটের প্রতিনিধি সিনেটর শেখ রহমান।
বৈঠক থেকে ফেরার পথে ৮ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় জেএফকে এয়ারপোর্ট থেকে সিনেটর শেখ রহমান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, ৮ন নভেম্বরের নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয়কক্ষের নেতৃত্ব নিরঙ্কুশ করতে বহির্বিশ্বের ভোটের অপরিসীম ভূমিকা থাকবে। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত ৭ লাখের অধিক আমেরিকান বিভিন্ন দেশে বাস করছেন। এর ৮০% হলেন ডেমক্র্যাট। সিনেটর রহমান উল্লেখ করলেন, গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিদেশ থেকে ডাকযোগে ১৮৮৬৭ ব্যালট এসেছিল কেবলমাত্র জর্জিয়া স্টেটেই। এই ব্যালটের প্রভাব পড়েছিল জো বাইডেনের বিজয়ে। জর্জিয়া স্টেটে ট্রাম্পের চেয়ে বাইডেন ১১৭৭৯ ভোট বেশী পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
সে আলোকে জর্জিয়া ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতা এবং জর্জিয়া স্টেট গভর্ণর প্রার্থী স্ট্যাসি আব্রামস’র প্রতিনিধি হিসেবে আমি ইউরোপিয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশের ডেমক্র্যাটিক পার্টির লিডারদের নিয়ে বৈঠক করেছি। সকলেই যাতে ডাকযোগে তাদের ব্যালট যথাসময়ে প্রেরণ করেন সে তাগিদ দিয়েছি। সিনেটর রহমান বলেন, দূতাবাস, কন্স্যুলেট ছাড়াও বিভিন্ন দেশে মার্কিন বাহিনী অবস্থান করছে। তারাই ব্যালট পাঠিয়ে থাকেন ডাকযোগে।
সিনেটর রহমান জানান, বহির্বিশ্বের ভোটারের সিংহভাগই ডেমক্র্যাট বিধায় লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্যরা চষে বেড়াচ্ছি বিভিন্ন দেশ। একটি ব্যালটও যাতে মিস না হয়, ভুল না হয়-সে ব্যাপারেও কথা হয়েছে। আশা করছি সকলেই আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন। কারণ, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটরা বিপুল বিজয় না পেয়ে বাইডেনের অনেক নির্বাচনী অঙ্গিকারই পূরণ করা সম্ভব হবে না। বহির্বিশ্বের মত অভ্যন্তরীণ ভোটারদের প্রতিও তাগিদ অব্যাহত রয়েছে কেন্দ্রে গিয়ে ব্যালট যুদ্ধে অবতীর্ণ হবার জন্যে। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে, কিশোরগঞ্জের সন্তান শেখ রহমান গত টার্মের মত সামনের নির্বাচনেও জর্জিয়া স্টেট সিনেটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ের পথে রয়েছেন। আরো উল্লেখ্য, ডেমক্র্যাটিক পার্টির নীতি-নির্ধারণেও শেখ রহমানের



