Advertisement Placeholder

ঘাটতি কাটাতে মার্কিন শিক্ষাখাতে দরকার আরো ৫০০ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ৯৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ঘাটতি কাটাতে মার্কিন শিক্ষাখাতে দরকার আরো ৫০০ বিলিয়ন ডলার

করোনাকালে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে বাইডেন প্রশাসনকে আরো ৫০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের সুপারিশ করেছে মার্কিন শিক্ষা-ব্যবস্থা নিয়ে গবেষনারতরা। ‘দ্য আমেরিকান এডুকেশনাল রিসার্চ এসোসিয়েশন’র জার্নালে ১১ অক্টোবর এ গবেষণা-রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।

সেখানে ক্যাটাগরিকেলি উল্লেখ করা হয়েছে, আমেরিকা উদ্ধার পরিকল্পনায় শিক্ষা খাতে মাত্র ১৯০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়। প্রয়োজনের তুলনায় এ অর্থ ছিল অর্ধেকেরও কম। ফেডারেল সরকারের প্রদত্ত এ অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে তার ওপর গভীর পর্যবেক্ষণ করেছেন কেনেথ শোরস এবং ম্যাথিউ স্টিইনবার্গ। মার্কিন শিক্ষা-ব্যবস্থা নিয়ে কর্মরত এই দুই বিশেষজ্ঞ স্পষ্টভাবে অনুধাবন করেছেন যে, ঐ অর্থে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। করোনাকালিন ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আরো ৫০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

এবং খুবই দ্রত এই বরাদ্দ দরকার। শিক্ষাবর্ষ থমকে নেই। তাই কার্যক্রম দ্রত গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে ঘাটতি পূরণের পর আপডেট হতে পারে-সে তাগিদ রয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে। গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, করোনাকালে শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়ালে ক্লাস নিলেও তারা পরিপূর্ণ শিক্ষালাভে সক্ষম হয়নি। অংক এবং রিডিংয়ে অবিশ্বাস্য রকমভাবে পিছিয়ে পড়েছে। শিক্ষকেরাও উপলব্ধি করছেন যে, অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীই স্বাভাবিক আচরণ করছে না। অনেকে মানসিকভাবে অসুস্থ। এহেন অবস্থার অবসান ঘটিয়ে চলতি পর্যায়ে টেনে নিতে দরকার বিশেষ প্রকল্প। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে অর্থ প্রয়োজন। অন্যথায় করোনালিন ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে না বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী। ক্ষতিগ্রস্ত হবে গোটা জাতি-এমন মন্তব্য করা হয়েছে ঐ রিপোর্টে। আরো সতর্কতার সাথে উল্লেখ করা হয়েছে যে, করোনাকালিন জরুরী ত্রাণ সহায়তার অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করা হয়নি।

অনেকে সরকারের দুর্বল মনিটরিং ব্যবস্থার সুযোগে বিপুল পরিমাণের অর্থ আত্মসাৎ করতে পারে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে। তাই নতুন করে অতিরিক্ত বরাদ্দের পর সে অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা রাখতে হবে এবং তাহলেই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যথাযথ শিক্ষা লাভে সক্ষম হবে-মন্তব্য শিক্ষা সম্পর্কিত ঐ জার্নালের। কেনেথ শোরস এবং ম্যাথিউ স্টিইনবার্গ তাঁদের গবেষণা-পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন, বাইডেনের আমেরিকা উদ্ধার পরিকল্পনা খাতে যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে তার একটি অংশ এখনো অব্যয়িত রয়েছে। সেগুলোর ব্যয় যথাযথভাবে করতেও ফেডারেল প্রশাসনকে দরদি ভ’মিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। ‘সরকারি মাল দরিয়ামে ঢাল’র মত অবস্থা থামাতে হবে। কারণ, ইতিমধ্যেই করোনাকালিন জরুরী ত্রাণ-সহায়তা হরিলুটের অনেক ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। অনেকে গ্রেফতারও হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় তেমন পরিস্থিতি কাম্য হতে পারে না বলে বিশেষজ্ঞরা অভিমত দিয়েছেন। কারণ, শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা প্রদানে ব্যর্থতার পরিণতি ভোগ করতে হবে গোটা জাতিকে।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আবু তাহের
নির্বাহী সম্পাদক
লাবলু আনসার