বৃহস্পতিবার ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ রেজুলেশনে বঙ্গবন্ধুর উক্তি “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়”

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট  

জাতিসংঘ রেজুলেশনে বঙ্গবন্ধুর উক্তি “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়”

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সেই ছবি।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত “ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব ডায়ালগ অ্যাজ এ গ্যারান্টি অব পিস, ২০২৩”( International Year of Dialogue as a Guarantee of peace, 2023 )শীর্ষক রেজুলেশনের ১৪তম প্যারায় সন্নিবেশন করা হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ও মহান উক্তি “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়”( Friendship to all, malice towards none ), যা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি।

কোভিড পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সাধারন পরিষদের প্লেনারিতে ৬ ডিসেম্বর রেজুলেশনটি উত্থাপন করে তুর্কমেনিস্তান । এটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীতহয় ।
বিশ্বমানবতা ও বিশ্বশান্তির অন্যতম প্রবক্তা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক উক্তিটি এবারই প্রথম বারের মতো জাতিসংঘ রেজুলেশনে সন্নিবেশিত হলো। রেজুলেশনটির ১৪তম প্যারাতে বঙ্গবন্ধুর উক্তিটি এভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে: “দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রোগ, নিরক্ষরতা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গুরুত্ব স্বীকার করে এবং গঠনমূলক সহযোগিতা, সংলাপ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার চেতনায় সকলের সাথে বন্ধুত্ব এবং কারও প্রতি বিদ্বেষ নয় মর্মে জোর দেওয়া হলে তা এই উদ্দেশ্যগুলি অর্জনে সহায়তা করবে’’, ( Recognizing the importance of combating poverty, hunger, disease, illiteracy and unemployment, and emphasizing that friendship to all and malice towards none, in the spirit of constructive cooperation, dialogue and mutual understanding, will help to achieve these objectives, )। উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দানকালে জাতিরপিতা যে বিষয়গুলোর উপর জোর দিয়ে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার কথ বলেছিলেন, সেগুলোর ধারণামূলক ভিত্তি হতে এই অনুচ্ছেদটির প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূতমুহাম্মদ আব্দুল মুহিত এর দিক-নির্দেশনায় মিশনের কূটনীতিক ড. মোঃ মনোয়ার হোসেন রেজুলেশনটির প্রস্তুুতি পর্ব থেকে শুরু করে চূড়ান্ত পর্ব পর্যন্ত নিবিড়ভাবে কাজ করেন। ফলে বিশ্বশান্তিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় গৃহীত এই রেজুলেশনটিতে জাতিরপিতার ঐতিহাসিক উক্তিটি অন্তর্ভূক্ত করা সম্ভব হয়।
রেজুলেশনটিতেবাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশ কো-স্পন্সর ছিল। সর্বমোট কো-স্পন্সর ছিল ৭০টি দেশ।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১২:০১ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২

nypratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর...

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

Editor : Naem Nizam

Executive Editor : Lovlu Ansar