
বিশেষ সংবাদদাতা | বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০২২ | প্রিন্ট | ১১৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

করোনা মহামারির সময়ে বেকার ভাতা খাতে বিতরণকৃত ৯০০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ২৫০ বিলিয়ন ডলারই প্রতারণামূলকভাবে হাতিয়ে নেয়ার উদ্বেগজনক তথ্য উপস্থাপন করা হলো মার্কিন কংগ্রেসে। ১৪ জুন মঙ্গলবার বাইডেন প্রশাসনের ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনের মহাপরিদর্শক হ্যানিবেল মাইক ওয়ারে ক্যাপিটল হিলে করোনা রিলিফ ফান্ড বিতরণের আলোকে বক্তব্য উপস্থাপনকালে আরো বলেন, আন্তর্জাতিক একটি অপরাধ চক্রের যোগসাজশে আমেরিকার নাগরিকদের একটি অংশ মহামারির সুযোগে প্রশাসনের সাথে প্রতারণা করেছে।
ট্যাক্স প্রদানকারী আমেরিকানদের অর্থ হরিলুট করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই প্রতারক চক্রের হদিস উদঘাটন এবং মহামারি সময়ের উদারতাকে অপব্যবহারকারিদের ধরতে বিশেষ একটি বাহিনী মাঠে নেমেছে। তারা বেকার ভাতা গ্রহণকারিগণের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনের চেষ্টায় রয়েছেন। জীবনে যারা কখনোই কোন করেননি কিংবা কাজের মাধ্যমে অর্জিত অর্থের ওপর ট্যা· প্রদান করেননি, তেমন অসংখ্য মানুষও করোনাকালিন বেকার ভাতা নিয়েছেন। এহেন অপকর্মে লিপ্তদের কাছে লেবার ডিপার্টমেন্ট/আইআরএস নোটিশ পাঠানোর পর সেই অপকর্মকে ধামাচাপা দিতে বড় ধরনে ক্রাইমে লিপ্ত হয়েছেন বলে তদন্ত কর্মকর্তারা জানতে পারছেন। অর্থাৎ তারা ট্যা· প্রদানের জাল কাগজপত্র সাবমিট করেছেন লেবার ডিপার্টমেন্টে। এহেন অপকর্মে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশীও ছিলেন বলে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসলিভেনিয়া, ভার্জিনিয়া, ম্যারিল্যান্ড, মিশিগান, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া প্রভৃতি স্থানের সিপিএ (সাটিফাইড পাবলিক একাউন্ট্যান্ট)’রা এ সংবাদদাতাকে জানান।
ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনের মহাপরিদর্শক উল্লেখ করেছেন, মানুষের চরম দুরবস্থার কথা ভেবে আবেদনসমূহের যথাযথ যাচাইয়ের চেষ্টা না করেই অর্থের ছাড় দেয়া হয়। তবে সেই আবেদনে মুচলেকা নেয়া হয় যে, সাবমিটকৃত তথ্য সত্য। তিনি আরো বলেন, জরুরি সময়ে ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ বিতরণ করা হয়েছে, যার অধিকাংশই কখনোই ফেরৎ দিতে হবে না যদি সংশ্লিষ্টরা তা যথাযথভাবে ব্যয় করে থাকেন। নামমাত্র সুদ অথবা শর্ত র্পূরণ করলে ফেরৎ দিতে হবে না এমন একটি বিশেষ কর্মসূচি ‘পিপিপি’র আওতায় অর্থ গ্রহণের সময়েও প্রতারণার আশ্রয় নেয়া সহস্রাধিক আমেরিকানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সেক্টরের প্রতারকদের চিহ্নিত এবং গ্রেফতার অভিযানে বিশেষ একটি টাস্কফোর্স মাঠে রয়েছে।
=



