Advertisement Placeholder

যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট-দুর্নীতির লাগাম টানতে অভিনব কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ৭৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট-দুর্নীতির লাগাম টানতে অভিনব কর্মসূচি

জর্জটাউন ইউনিভার্সিটিতে কর্পোরেট-দুর্নীতি লাঘবে বিশেষ এই কর্মসূচির কথা বলেন সহকারি এটর্নী জেনারেল কেনেথ পোলাইট। ছবি-সংগ্রহ।

যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় কলকারখানা/কর্পোরশেনের অনিয়ম/দুর্নীতি হ্রাসে অভিনব একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগ। যুক্তরাষ্ট্রের সহকারি এটর্নী জেনারেল কেনেথ পোলাইট ১৮ জানুয়ারি বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি ল’ সেন্টারে প্রদত্ত বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন, কর্পোরেশনের অনিয়ম/দুর্নীতি রোধে বিদ্যমান আইন প্রয়োগের আগেই যদি সংশ্লিষ্ট কর্পোরেশনসমূহ নিজ নিজ অপকর্মের তথ্য স্বেচ্ছায় বিচার বিভাগকে অবহিত করে তাহলে জরিমানাসহ যাবতীয় শাস্তির পরিমাণ ৭৫% কমানো হবে।

এশ্রেণীর কর্পোরেশনকে তদন্তে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানের অঙ্গিকারও করা হবে। সহকারি এটর্নী জেনারেল কেনেথ আরো উল্লেখ করেছেন, এমনকি যেসব কর্পোরেশনে স্বেচ্ছায় অনিয়ম/দুর্নীতির কথা প্রকাশ না করলেও তারা যদি তদন্তে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করে তবুও শাস্তি/জরিমানার পরিমাণ ৫০% কমানো হবে। উল্লেখ্য, এটনী কেনেথ হলেন যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগের ক্রিমিনাল ডিভিশনের প্রধান এবং একইসাথে বিচার বিভাগও জরিমানা/শাস্তি কমানোর এই প্রক্রিয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এটর্নী কেনেথ বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন, আমরা কাউকে শাস্তি প্রদানের পক্ষে নই। আমরা চাই সবকিছু নিয়ম-নীতির মধ্যে রাখতে। শাস্তি কমানোর এই প্রকল্পে গুরুতর অপরাধকে নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ কর্পোরেট আইন লংঘনের মধ্যদিয়ে বিপুল অর্থের ট্যাক্স ফাঁকি ছাড়াও পণ্য-সামগ্রি উৎপাদন থেকে ক্রয় বিক্রয়ে দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এছাড়া, কিছু কোম্পানী তার পুরো জরিমানা থেকে রেহাই পাবে যদি তারা তদন্ত চলার মধ্যেও সবকিছু খুলে বলে এবং কেন তারা অনিয়ম/দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে-তা অবহিত করে।

এহেন অবস্থা থেকে বিশাল এই সেক্টরকে শৃঙ্খলায় ফিরিয়ে আনা জরুরী হয়ে পড়েছে বলেই এমন সুযোগ দেয়া হলো-উল্লেখ করেন বিচার বিভাগের পদস্থ কর্মকর্তারা। স্বেচ্ছায় অপকর্ম/দুর্নীতি/অনিয়মের কথা স্বীকার করলে তা সংশোধনের পথ সহজ হবে এবং তদন্ত খাতেও ব্যয় কমবে-এই অভিজ্ঞতা থেকে বাইডেন প্রশাসনের সর্বশেষ এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন অনেকে। এটর্নী কেনেথ আরো বলেছেন, ‘জেনে-শুনে যেসব কোম্পানী তাদের দুর্নীতি/অনিয়মের তথ্য গোপন করবে অর্থাৎ জরিমানা/শাস্তির এই সুযোগ নিতে চাইবে না, তারা বিদ্যমান শাস্তি/জরিমানার দ্বিগুণ পাবে।’ প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য, গত বছর বেশ কটি কোম্পানীর বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে বিপুল অর্থ জরিমানা আদায়ে সক্ষম হয়েছে বিচার বিভাগ। তবে সে ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তাগণকে অনেক কাঠ-খড় পুড়াতে হয়েছে। সময়ের সাথে অর্থ ব্যয়ের পরিমাণও বেড়েছে। সে সব দিক বিবেচনা করেই জরিমানার বিধি ৭৫% পর্যন্ত হ্রাসের এই ঘোষণা দেয়া হলো।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আবু তাহের
নির্বাহী সম্পাদক
লাবলু আনসার