Advertisement Placeholder

যুক্তরাষ্ট্রের ‘গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার এওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশের নূর খানসহ ১০ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ১৭২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

যুক্তরাষ্ট্রের ‘গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার এওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশের নূর খানসহ ১০ জন

যুক্তরাষ্ট্রের ‘গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছেন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নূর খানসহ বিশ্বের ১০ মানবাধিকার কর্মী। মানবাধিকারের সুরক্ষা, শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক মানবাধিকার লংঘনের তথ্য প্রকাশ এবং প্রতিবাদ জানানো, আইনের শাসন আর জবাবদিহিতা নিশ্চিতে অবদান রাখার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১০ জনকে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদানের জন্য বাছাই করা হয়েছে বলে ১ ফেব্রুয়ারি বুধবার জানিয়েছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব ডেমোক্রেসি, হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড লেবার এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট এ প্রসঙ্গে বলেছে, মানবাধিকার রক্ষাকারিদের সুরক্ষা এবং সমর্থন করা মার্কিন পররাষ্ট্র নীতির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে রয়েছে। কারণ, তারা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া এবং একটি প্রাণবন্ত সমাজ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং পরিবেশগত স্থায়িত্বের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। স্টেট ডিপার্টমেন্ট আরো উল্লেখ করেছে, যেহেতু আমরা মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণার ৭৫তম বার্ষিকী এবং মানবাধিকার রক্ষাকারীদের বিষয়ে জাতিসংঘ ঘোষণার ২৫তম বার্ষিকী উদযাপন একইসাথে করছি, এ অবস্থায় আমরা এই পুরস্কারপ্রাপ্ত সকলকে সম্মান জানাতে পেরে আনন্দিত। বিশ্বজুড়ে এই ১০ জন ব্যক্তি,যারা নেতৃত্ব এবং সাহস প্রদর্শন করেছেন মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রচার এবং রক্ষা; সরকার এবং ব্যবসায়ী দ্বারা মানবাধিকার লংঘন প্রতিরোধ ও প্রকাশ করা; এবং পরিবেশ রক্ষা, শাসন ব্যবস্থার উন্নতি. এবং দায়বদ্ধতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, দায়মুক্তির অবসানে সাধ্যমত সচেষ্ট রয়েছেন। স্টেট ডিপার্টমেন্ট আরো বলেছে যে, এবারের ১০ জন বিভিন্ন পটভূমি এবং সুদূরপ্রসারি সম্ভাবনা সহ ডিফেন্ডারদের প্রতিনিধিত্ব করে। দাসত্ব প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে লড়াই করা থেকে শুরু করে নির্বাচন এবং শ্রম-অধিকারের প্রচার পর্যন্ত তারা নিবেদিত রয়েছেন।

সকলেই মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় নিহিত মূল্যবোধকে বিমূর্ত করে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে। অ্যাওয়ার্ডের জন্য বাংলাদেশের মোহাম্মদ নূর খানকে বাছাই প্রসঙ্গে স্টেট ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “বিগত তিন দশকেরও বেশী সময় থেকে মোহাম্মদ নূর খান বাংলাদেশে ২ টি মানবাধিকার সংস্থার (নাম উল্লেখ করা হয়নি) নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। মানবাধিকার ইস্যুতে সমন্বয় করেছেন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে। বাংলাদেশে মানবাধিকার লংঘন এবং তার জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিতে তিনি কাজ করেছেন।” এতে বলা হয়, “গুম হওয়া পরিবারগুলোর অধিকারের পক্ষে মোহাম্মদ নূর খান সময় উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। নেতৃত্ব দিয়েছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিত্বে। তার সময় উপযোগী পদক্ষেপের মাধ্যমে অনেক প্রাণ রক্ষা পেয়েছে এবং অনেক নিরীহ মানুষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা থেকে মুক্তি পেয়েছে।”
অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত অপর ৯ জন হলেন-ব্রাজিলের এলিজে দে সোজা ফারিয়াস, ক্যাম্বোডিয়ার সিম সিথার, জর্জিয়ার নিনো লমজারিয়া এবং তার দল, হুন্ডুরাসের রোজা মেলানিয়া রেস ভেলাসকুয়েজ, ইরানের নাসরিন সোতোউদে, ইরাকের বাসদার হাসানের নেতৃত্বাধীন আইনি সহায়তাকারি দল, মৌরিতানিয়ার মোহামেদ এলি এল হার, চায়নার দিং জিয়াজি এবং টগোর ইকুয়ে ডেভিড যোসেফ দোসে।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আবু তাহের
নির্বাহী সম্পাদক
লাবলু আনসার