বুধবার ২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আদালতের নির্দেশ পেলেই উদ্ধার হওয়া ফোন পাবেন জবি শিক্ষার্থী পারিসা

প্রতিদিন ডেস্ক   |   বুধবার, ০৩ আগস্ট ২০২২ | প্রিন্ট  

আদালতের নির্দেশ পেলেই উদ্ধার হওয়া ফোন পাবেন জবি শিক্ষার্থী পারিসা

রাজধানী কারওয়ানবাজার থেকে ছিনতাই হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী পারিসা আক্তারের মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ফোন হস্তান্তরে প্রয়োজন আদালতের নির্দেশনা। এক্ষেত্রে পারিসাকে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আবেদন করতে হবে। আদালতের নির্দেশনা আসলে মোবাইল ফোন তাকে হস্তান্তর করবে তেজগাঁও থানা পুলিশ। বুধবার (৩ আগস্ট) সকালে তেজগাঁও থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ কর্মকর্তা রুবাইয়াত।

ছিনতাই হওয়ার ১১ দিন পর মঙ্গলবার (২ আগস্ট) রাতে তার মোবাইলটি উদ্ধার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। সেই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত দুই ছিনতাইকারী ও এক ক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা রুবাইয়াত জানান, গত ২১শে জুলাই তানজিল বাসে নিজ বাসায় ফিরছিলেন পারিসা আক্তার (২৫)। তেজগাঁও থানাধীন কারওয়ান রাজারস্থ ওয়াসা ভবনের সামনে আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টার দিকে ট্রাফিক সিগন্যালে থেমে যায় বাসটি। এ সময় বাসের জানালা থেকে এক ছিনতাইকারী পারিসার হাত থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি টান দিয়ে নিয়ে যায়। এসময় দ্রুত বাস থেকে নেমে নিজের ফোন না পেলেও কিছুক্ষণ পর অপর এক ছিনতাইকারী ধরে ফেলেন পারিসা। সেই সঙ্গে কৌশলে আরেক ছিনতাইকারীকে হাজির করে দুই জনকে পুলিশে দেন তিনি। তবে আটক দুই ছিনতাইকারী বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থাকলেও পারিসার মোবাইল চুরির ঘটনার সাথে জড়িতের প্রমাণ মেলেনি।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, দুই ছিনতাইকারীকে আটকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। পরে এ বিষয়ে প্রথমে তেজগাঁও থানায় একটি জিডি লিপিবদ্ধ করেন পারিসা আক্তার। পরবর্তীতে আইনি বিষয় ও ন্যায় বিচার নিশ্চিতে পুলিশের অনুরোধে মামলা করেন পারিশা। পরে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং অপরাধীর বিষয়ে অভিযোগকারীর মৌখিক বর্ণনা অনুযায়ী কাজ শুরু করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত রাশেদুল ইসলাম (১৭) কে। প্রথমে অস্বীকার করলেও পুলিশের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে এক পর্যায়ে ঘটনার সাথে নিজের ও মূল অভিযুক্ত মো. রিপন আকাশ (২৪) এর জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে সে।

ইতোমধ্যে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া মো. রিপন আকাশকে (২৪) জিজ্ঞাসাবাদের স্বার্থে বিজ্ঞ আদালতে রিমান্ড চাওয়া হলে আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সাথে নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে এবং চুরি করা মোবাইল ফোনটি মাত্র ৪ হাজার টাকার বিনিময়ে কারওয়ান বাজারের চোরাই মোবাইল ক্রেতা মো. শফিক (২১) এর কাছে বিক্রি করেছে বলে জানায়।

অভিযুক্তের বক্তব্য অনুযায়ী কারওয়ান বাজারে অভিযান চালিয়ে শফিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে চোরাই ফোনটি উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত মো. রিপন আকাশের নামে বিভিন্ন থানায় ৬টি মামলা, রাশেদের বিরুদ্ধে ৪ টি মামলা এবং চোরাই মোবাইল ক্রেতা শফিকের নামে ২টি মামলা রয়েছে।

এ বিষয়ে তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম বলেন, মোবাইল ফোনটি আমাদের কাছেই আছে। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা আসলেই আমরা ফোনটি হস্তান্তর করতে পারবো।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১:৫০ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০৩ আগস্ট ২০২২

nypratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর...

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

Editor : Naem Nizam

Executive Editor : Lovlu Ansar