
বিশ্ব ডেস্ক | শনিবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৩ | প্রিন্ট | ৮৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় সল্ট মাইন সিটি (লবণ খনির শহর) সোলেডার দখলের দাবি করেছে রুশ বাহিনী। ভাড়াটে যোদ্ধাগোষ্ঠী ওয়াগনারের পর এবার রাশিয়া এ দাবি করল। তাদের দাবি, এক মাস দীর্ঘ যুদ্ধের পর তারা শহরটি দখল করেছে। সোলেডার দখলকে রাশিয়া আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তবে কিয়েভ রাশিয়ার এ দাবি প্রত্যাখান করেছেন। খবর বিবিসি।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, এই শহর দখলের ফলে রুশ সেনারা কাছের বড় শহর বাখমুটে ইউক্রেনীয়দের রসদ সরবরাহ রুট বিচ্ছিন্ন করতে পারবে।
ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা বলছেন, সোলেডারে লড়াই এখনও চলছে। শহর দখলের দাবিকে রাশিয়ার প্রোপাগান্ডা হিসেবে অভিযোগ করছেন তাঁরা। ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধে সোলেডার শহর ঘিরে লড়াইটি রক্তাক্ত সংঘাতের একটি। আঞ্চলিক গভর্নর পাবলো কিরিলেঙ্কো বৃহস্পতিবার বলেছিলেন, ১৫ শিশুসহ ৫৫৯ বেসামরিক শহরে রয়ে গেছেন। তাদের সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
রুশ সেনাবাহিনীর জন্য সোলেডার শহরের গুরুত্ব নিয়ে সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে।
এদিকে, দোনেৎস্কের গভর্নর পাবলো কিরিলেঙ্কো বলেছেন, ইউক্রেনের সোলেডার এলাকা জয়ের লড়াইয়ে ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক রুশ সেনা নিহত হয়েছেন। এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি আরও বলেছেন, রুশ নাগরিকরা আক্ষরিকভাবেই নিজেদের সেনাদের লাশের ওপর দিয়ে হেঁটে সামনে অগ্রসর হচ্ছেন। রুশ বাহিনী দোনেৎস্কের ১২টি শহর ও গ্রামে শেল হামলা চালিয়েছে। সামনে যা কিছু পড়ছে, সব পুড়িয়ে দিচ্ছে।
অন্যদিকে, কিয়েভ কোনো দেশে হামলার সিদ্ধান্ত নিলে ইউক্রেন সংঘাতে জড়াতে পারে বেলারুশ। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় তাস নিউজ এজেন্সিকে সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আলেক্সি পোলিশচুক বলেন, প্রতিরোধের অংশ হিসেবে বেলারুশের সঙ্গে যৌথ মহড়ার আয়োজন করেছে রাশিয়া।



