
নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২ | প্রিন্ট | ১৩২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

পরিবেশ দুষণমুক্ত রাখার অঙ্গিকারে গ্রীণ টাচের র্যালি। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।
বাস-সাবওয়ে এবং চলতি পথে নিরাপত্তা, রাস্তা-ঘাটকে ময়লা-আবর্জনা মুক্ত রাখার অভিপ্রায়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির ব্যতিক্রমধর্মী একটি কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছে নিউইয়র্কের ‘গ্রীণ টাচ’ নামক একটি সংগঠন।
১৪ আগস্ট রবিবার দুপুরে জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজায় ‘আসুন সকলে মিলে পরিস্কার করি, দুষণ মুক্ত রাখি’ স্লোগানে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষেরা এক র্যালিতে মিলিত হন। সাথে ছিল ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের জন্যে প্রয়োজনীয় উপকরণ।
হাতে থাকা প্লেকার্ডে লেখা ছিল ‘আমরা রাস্তা পার হওয়ার সময় মোবাইল ব্যবহারে বিরত থাকি’, ‘আসুন রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রাফিক আইন মেনে চলি’ ইত্যাদি। গ্রীণ টাচের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান ভিক্টর ইলাহি সমাপনী বক্তব্যে সকলকে মানবিক দায়িত্ব পালনের আহবান জানিয়ে বলেন, আইন করে কখনোই কিছু সম্ভব হয় না হান্ড্রেড পার্সেন্ট। নিজেরা যদি সচেতন হই তাহলে সাবওয়েতে দুর্বৃত্তের ধাক্কার অহসায় শিকার হতে হবে না।
ট্রাফিক আইন যদি সকলে মেনে চলি তাহলে অযথা দুর্ঘটনার ভিকটিমও হবো না। দোকান-পাট, রাস্তা-ঘাট এবং পার্কে ময়লা-আবর্জনা পরিস্কারে জন্যে সিটির কর্মচারি রয়েছেন, সাবওয়ে কিংবা চলতি পথের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ, ট্রাফিক আইন লংঘন করলে জরিমানার বিধিও রয়েছে। কিন্তু কোন কিছুই হান্ড্রেড পার্সেন্ট সুফল দিতে পারছে না।
এটি সম্ভব কেবলমাত্র আমরা নাগরিকেরা যদি সচেতন হই। জেবিবিএর একাংশের সভাপতি মাহাবুবুর রহমান টুকু বলেন, মানুষের সামগ্রিক কল্যাণে গ্রীণ টাচের সকল কর্মসূচির সাথে আমি সবসময় রয়েছি। সামনের দিনেও সর্বাত্মক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
র্যালিতে অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী হোসেন। শারিরীকভাবে অসুস্থ হওয়া সত্বেও লাঠিতে ভর করে এসেছিলেন তিনি। আলী হোসেন ছাড়াও একই আহবান জানিয়ে কথা বলেন গ্রীণ টাচের অর্থ পরিচালক এ টি এম জাকির হোসেন, ইভেন্ট ডাইরেক্টর ফারজানা হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফাতেমা উদ্দিন, ভলান্টিয়ার পান্না সুলতানা, কো-অর্গানাইজার সেলিম উদ্দিন খোকন, উপদেষ্টা সৈয়দ বদরুল, মোহাম্মদ এনায়েতউদ্দিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইমান মন্ডল, আব্দুল মান্নান, আব্দুল জলিল, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ টি হোসেন, পরিচালক আশেক আলী, সিনিয়র এডভাইজার মো. হানিফ মোল্লাহ, কো-অর্গানাইজার তাহমিনা বেগম প্রমুখ।
বক্তারা দিপ্ত প্রত্যয়ে অঙ্গিকার করেন যে, এই সিটি আমাদের, তাই সিটির পরিবেশ বসবাসের উপযোগী রাখার দায়িত্বও আমাদেরকেই নিতে হবে। প্রশাসনের ওপর দায় চাপানোর প্রবণতা থাকলে কোনকিছুই ঠিক মত চলবে না। নিজেদেরকেও দায়িত্ববান হতে হবে। বক্তারা বলেন, জনসচেতনতা সৃষ্টির এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউতে শীঘ্রই আরেকটি র্যালি হবে। এবং পর্যায়ক্রমে তা অব্যাহত থাকবে সিটির বিভিন্ন স্থানে।



